উৎসবের নাম লালকাছ
ছবি: সংগৃহীত
চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্রমাসের শেষ দিনে দেশের অনেক অঞ্চলে নানা ধরনের মেলা বা উৎসব পালন করে আসছে মানুষ। এসব মেলা বা উৎসবে রঙবেরঙের পোশাক পরে গান, নাচে অংশ নেয় মানুষ। এছাড়া মেলায় নাগারদোলাসহ রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। তবে এর ভিন্ন চিত্র দেখা যায় মুন্সিগঞ্জে।
সেখানে বৈচিত্রময় লালকাছ ও নীলকাছ নাচের মাধ্যমে চৈত্রের শেষদিনে (চৈত্রসংক্রান্তি) সনাতন ধর্মাবলম্বীরা চৈত্র সংক্রান্তি ও কাছ উৎসব উদযাপন করে।
এদিন সকালে জেলার বিভিন্ন গ্রামে নীলকাছ এবং বিকেলে লালকাছের নৃত্যের মহড়া দেখা যায়। এসময় ঢাকঢোলের শব্দে নৃত্য করেন অংশগ্রহণকারী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আরও পড়ুন: ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ঐতিহাসিক কাকিনা জমিদারবাড়ি
নীলকাছ বা শিববড়িতে একজন সাজেন মহাদেব এবং অপরজন তার স্ত্রী। আর লালকাছে মহাদেব সাজা ব্যক্তির সঙ্গে থাকে তার দল। তারা লাল-কমলা রং মেখে ত্রিশুল-তলোয়ার নিয়ে নৃত্য করে থাকেন। পালাক্রমে প্রতি গ্রামেই এ নৃত্য করে বেড়ায় এই দল।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, মূলত হিন্দু ধর্মের মতে শিব ও পার্বতীর লীলা প্রচারের উদ্দেশ্যে এ পূজার আয়োজন করা হয়। দুই পর্বে নাচ করা হয়– সকালে পুণ্যস্নানের মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এবং পরে দিনভর কাছ নাচের পর রাতে হরগৌরী পূজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। পরদিন কিছু কিছু জায়গায় চরক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তখন শিবের রুপ ধারণের জন্য রং মেখে নৃত্য করা হয়।
এই উৎসবে শিবকে দুধ-ফল-জল দিয়ে বরণ করে স্বামী ও সংসারের শুভকামনা করা হয় বলে জানানা এলাকাবাসী।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








