বিমানবন্দরে মদসহ আটকের প্রমাণ চাইলেন মেহজাবীন
ছবি: সংগৃহীত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটকের খবরকে স্রেফ ‘ক্লিকবেইট’ আখ্যা দিয়ে ভিত্তিহীন এই প্রচারণার প্রমাণ দাবি করেছেন মেহজাবীন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, “আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?”
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এই কড়া জবাব দেন মেহজাবীন।
ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাকে বিমানবন্দরে থামানো বা জিজ্ঞাসাবাদের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তিনি লেখেন, “উল্লিখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনোরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।”
তিনি আরও লেখেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”
আরও পড়ুন: মদ জব্দের অভিযোগ অস্বীকার করলেন মেহজাবীন চৌধুরী
গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় যে, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মেহজাবীন, তার স্বামী আদনান আল রাজীব ও নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্তের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে কাস্টমস। কিন্তু ‘রহস্যজনক’ কারণে তাদের মুচলেকা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর খবর রটে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার ফোনে প্রভাব খাটিয়েই কাস্টমসের জাল থেকে মুক্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। একটি আড্ডায় নাকি তিশা নিজেই বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন।
এমন খবরের পর গত ২২ ফেব্রুয়ারি মেহজাবীন একটি পোস্ট দিয়ে নিজেকে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন। তবে সে সময় মদের বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার না করায় জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। অবশেষে আজ মঙ্গলবার সেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে সরাসরি অভিযোগটি উড়িয়ে দিলেন এই অভিনেত্রী।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








