News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৫:৪৭, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৭:০১, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৩৩% কোটা প্রস্তাবের দাবিতে সাতরাস্তায় কারিগরি শিক্ষার্থীদের অবরোধ

৩৩% কোটা প্রস্তাবের দাবিতে সাতরাস্তায় কারিগরি শিক্ষার্থীদের অবরোধ

ছবি: সংগৃহীত

উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রিধারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের সরকারি প্রস্তাবকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা মোড় অবরোধ করেছেন কারিগরি শিক্ষার্থীরা। 

মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শত শত শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী প্রকৌশলী এই বিক্ষোভে অংশ নেন, যার ফলে ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

গত রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আইডিইবি (IDEB) ভবনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি কমিটির প্রস্তাবিত দশম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ৩৩ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 

সংগঠনটির মতে, এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ন্যায্য পেশাগত অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হবে এবং প্রকৌশল খাতে বিদ্যমান বৈষম্য আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

আরও পড়ুন: বিলম্ব ফিসহ এসএসসির ফরম পূরণের সময় বাড়ল ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেশব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ০৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের প্রতিটি বিভাগীয় সদরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সাতরাস্তা মোড়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। তারা দশম গ্রেডে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ কোটা বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। 

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।

সংগ্রাম পরিষদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই কর্মসূচিতে আইডিইবি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সংহতি প্রকাশ করেছেন। 

সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অযৌক্তিক এই কোটা প্রস্তাব অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের শাখাগুলোকে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে ঘোষিত কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পেশাগত অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়