১২০ টাকার পেঁয়াজ ভারতে ২৫ টাকা!
ছবি: সংগৃহীত
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে শনিবার সকালে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহেও এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে তিন ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে পাশের দেশ ভারতের স্থানীয় বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। এই দাম বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ কম। দেশটি থেকে বাংলাদেশ, সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ায় সরবরাহ ব্যাপক বেড়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাজারেও পেঁয়াজের দাম তলানিতে নেমেছে।
এদিকে বাংলাদেশে পেঁয়াজে সংকট নেই বলে জানাচ্ছে সরকার। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সংকট থাকায় দাম কমছে না। একপর্যায়ে ভারতের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা এলেও শেষ পর্যন্ত আমদানির অনুমোদন মেলেনি। এতে খুচরা বাজারে মাসের অধিক সময় ধরে শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে রান্না ঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটি।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে ৭ লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিল। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে
ভারতে পেঁয়াজের বাজার কেমন
বাংলাদেশ এখন স্থানীয় কৃষকদের রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনছে না। ফলে দেশটির প্রধান পেঁয়াজ রপ্তানির বাজার নষ্ট হয়ে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে ৭ লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিল। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে।
আরও পড়ুন: আমদানিতে কোনো বাধা নেই: গভর্নর
বাজারে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী পেঁয়াজ আমাদনির জন্য আমাদের ওপর অনেক চাপ প্রয়োগ করেছে। তারা কোর্টেও গেছেন, যাতে আমরা পেঁয়াজ আমদানি করি। কিন্তু কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে কৃষকদের কথা চিন্তা করে পেয়াজ আমদানি করতে দেওয়া হয়নি বলে জানান কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। যদিও এরজন্য দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








