বগুড়ার পাশাপাশি ঢাকা-১৭ আসনেও প্রার্থী তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এনেছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের পৈতৃক আসন বগুড়া-৬ এর পাশাপাশি রাজধানীর অভিজাত এলাকা ঢাকা-১৭ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অন্যদিকে, এই আসনটি ছেড়ে দিয়ে ভোলা-১ আসনে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘ এক যুগ নির্বাসনে কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল তিনি শুধু বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচন করবেন।
তবে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিশেষ অনুরোধে এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, দেশে ফেরার পর ইতোমধ্যে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আজ রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) এই আসনের জন্য তার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ৮ বিভাগীয় শহরে ইনকিলাব মঞ্চের অবরোধ কর্মসূচি
ঢাকা-১৭ আসনে একসময় আন্দালিব রহমান পার্থের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি আলোচিত ছিল এবং গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকায় তার পোস্টারও দেখা গিয়েছিল। তবে তারেক রহমানের প্রার্থিতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এই আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, পার্থ এখন তার নিজ এলাকা ভোলা-১ আসন থেকে জোটের প্রার্থী হিসেবে নিজস্ব দলীয় প্রতীকে লড়বেন এবং শনিবারই সেখানে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে বিএনপির সমর্থনে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন পার্থ। তার বাবা সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুরও এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবার তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আসনগুলো হলো বগুড়া-৭, ফেনী-১, দিনাজপুর-৩।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং ঢাকা-১৭ আসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তার প্রার্থিতা বিএনপির নির্বাচনী কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি একদিকে যেমন দলের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে, অন্যদিকে রাজধানীর রাজনীতিতে বিএনপির প্রভাব আরও সুসংহত করার একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








