News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:৩০, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভোটের প্রস্তুতিতে মাঠে নামছেন ১০৫১ ম্যাজিস্ট্রেট

ভোটের প্রস্তুতিতে মাঠে নামছেন ১০৫১ ম্যাজিস্ট্রেট

ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে দেশজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার লক্ষ্যে রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। 

একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য আজ থেকে পূর্ণ উদ্যমে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন শুরু করছেন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থাকবেন।

শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ নির্বাচনের সর্বশেষ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিষয়ে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণমাধ্যমকে তিনি জানান, সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন রয়েছে এবং রবিবার থেকে আরও সদস্য যুক্ত হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে ও পরে সাত দিন মাঠে থাকবেন। 

তিনি আরও বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা সবাই জানিয়েছেন যে নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবস্থা ভালো এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার জন্য সহায়ক। সব ব্যালট বাক্স জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে এবং রিটার্নিং অফিসাররা সেগুলো গ্রহণ করছেন। এখন সকলেই ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

আরও পড়ুন: নির্বাচন প্রস্তুতি সন্তোষজনক, ‘পারফেক্ট ভোট’ চ্যালেঞ্জ: ড. ইউনূস

এর আগে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। 

এছাড়া, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ অধীনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‍্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ এবং চৌকিদার-দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য থাকবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট করবে এবং কমিশনারের নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

এভাবে দেশের নির্বাচনকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়