News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:৪৮, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১২:৪৮, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

হাদির হত্যাকারীদের হাতে দেশ তুলে না দেওয়ার আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

হাদির হত্যাকারীদের হাতে দেশ তুলে না দেওয়ার আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

ফাইল ছবি

জুলাই বিপ্লবী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে যারা হত্যা করেছে, বাংলাদেশকে তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই আহ্বান জানানো হয়।

পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ উল্লেখ করে, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তারা লিখেছে, ‘৩২ আর ৩৬ এক জিনিস না—এইটা আপনাদের বুঝতে হবে।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হলে কারা লাভবান হবে, তা একবার ভেবে দেখুন।’

ইনকিলাব মঞ্চ দাবি করে, এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি নিয়ন্ত্রণহীন ও জঙ্গি অভয়ারণ্য হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে, যা দেশের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না; বরং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকে ঠেলে দেবে।

সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, ওসমান হাদি তার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পুরো সময়জুড়ে সার্বভৌমত্বের শত্রুদের চিহ্নিত করেছেন এবং তাদের মোকাবিলার পথ দেখিয়েছেন।

পোস্টে বলা হয়, ‘আমাদের সামনে দীর্ঘ লড়াই। এটি দুই-একদিনে অর্জন করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করুন এবং সহিংসতা পরিহার করুন।’

এর প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ লিখেছে, ‘খুনি যদি জাহান্নামেও থাকে, জাহান্নাম থেকে এনে আমাদের সামনে হাজির করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সহিংসতা পরিহার করে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।’

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট রোডে রিকশাযোগে যাওয়ার সময় শরিফ ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি অনুসরণ করে। একপর্যায়ে তার বহনকারী অটোরিকশার কাছে এসে মাথার কাছে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায় তারা।

আরও পড়ুন: হাদির মৃত্যুতে মার্কিন দূতাবাসের শোক

গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ শুরু হয়। হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এখনো সারাদেশে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়