নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করবে ওপেনএআইয়ের ‘ডেব্রেক’
ছবি: সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে বদলে যাচ্ছে সাইবার নিরাপত্তার ধরন। একসময় সাইবার হামলা শনাক্ত ও প্রতিরোধ পুরোপুরি মানুষের দক্ষতা ও পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন সেই জায়গায় ধীরে ধীরে যুক্ত হচ্ছে এআইভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো এআই ব্যবহার করে সাইবার হামলার ধরন বিশ্লেষণ, নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত এবং তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সমাধানের কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন সাইবার নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম ‘ডেব্রেক’ উন্মোচন করেছে ওপেনএআই।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জিপিটি-৫.৫ মডেল ও কোডেক্স এজেন্টভিত্তিক কোডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ‘ডেব্রেক’ সফটওয়্যারের নিরাপত্তা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও আরও শক্তিশালী করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটি সরাসরি সফটওয়্যারের নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত করার পাশাপাশি সমস্যার ধরন বিশ্লেষণ করে সমাধানও দিতে পারে। ফলে সফটওয়্যার আক্রান্ত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর বদলে আগেভাগেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে ডেব্রেক।
ডেব্রেকের মাধ্যমে কোড পর্যালোচনা, থ্রেট মডেল তৈরি, নিরাপত্তা প্যাচ যাচাই, সফটওয়্যারের নির্ভরশীলতা বিশ্লেষণ এবং গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতাগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে শনাক্ত করা যাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক এআই মডেল এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা একদিকে সাইবার হামলার সক্ষমতা বাড়াতে পারে, অন্যদিকে আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতেও সক্ষম। ফলে বড় বড় এআই প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু স্মার্ট চ্যাটবট বা কোডিং দক্ষতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; সাইবার নিরাপত্তাও হয়ে উঠছে নতুন প্রতিযোগিতার কেন্দ্র। ওপেনএআইয়ের এই উদ্যোগকে এআইনির্ভর সাইবার প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সার্চ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে গুগল
এদিকে, সম্প্রতি ওপেনএআইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিকও ‘প্রজেক্ট গ্লাসউইং’ নামে নিজেদের সাইবার নিরাপত্তা উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে। প্রকল্পটিতে ‘ক্লড মিথোস’ নামের একটি উন্নত এআই মডেল ব্যবহার করা হলেও সেটির ব্যবহার এখনো সীমিত পর্যায়ে রাখা হয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








