নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:৪৫, ১১ অক্টোবর ২০২৬

অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভে অচল মোহাম্মদপুর, ভোগান্তিতে নগরবাসী

অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভে অচল মোহাম্মদপুর, ভোগান্তিতে নগরবাসী

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা শহরে আগামী তিন দিনের মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারির প্রতিবাদে রাজধানীর সড়কে নেমেছেন অটোরিকশাচালকেরা। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে চলাচল বন্ধের উদ্যোগ, সড়কে গাড়ি আটক ও ডাম্পিং, জরিমানা এবং কথিত পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। 

রবিবার সকাল ১০টার দিকে মোহাম্মদপুর চার রাস্তার মোড়ে শত শত চালক অবস্থান নিলে মোহাম্মদপুর, বসিলা ও গাবতলীমুখী সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় কর্মদিবসের শুরুতেই ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও পথচারীরা।

আন্দোলনরত চালকদের বক্তব্য, অটোরিকশা তাদের কাছে শুধু যাতায়াতের একটি বাহন নয়, বরং পরিবারের ভরণপোষণের প্রধান অবলম্বন। তাদের অনেকেই ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনেছেন কিংবা দৈনিক ভাড়ায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালান। হঠাৎ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে আয় বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঋণের কিস্তি, গাড়ির ভাড়া এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে চালকদের জীবিকা, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং সড়কে চলাচলের জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অবরোধে অংশ নেওয়া চালকদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু সড়কে অটোরিকশা চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে কোন সড়কে চলাচল করা যাবে, কোথায় গাড়ি ঘোরানো যাবে কিংবা কোন পরিস্থিতিতে গাড়ি আটক করা হবে এসব বিষয়ে স্পষ্টতা নেই। 

তাদের দাবি, বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হচ্ছে। পরে গাড়ি ছাড়াতে গিয়ে সময়ক্ষেপণ, জরিমানা ও নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ গাড়ি ছাড়ানোর কাগজ বা স্লিপ হাতে নিয়েও নির্ধারিত সময়ে গাড়ি ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এক আন্দোলনকারী চালক বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাদের গাড়ি ডাম্পিং করা হচ্ছে। ইউটার্ন নিতে গেলেও গাড়ি আটক করা হয় বলে তার অভিযোগ। পরে গাড়ি ছাড়ানোর জন্য গেলে কখনো সেদিন, কখনো পরদিন দেওয়ার কথা বলে ঘোরানো হয়। কয়েকজন চালকের হাতে গাড়ি ছাড়ানোর কাগজ থাকা সত্ত্বেও তারা গাড়ি ফেরত পাননি বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই চালকের ভাষ্য, অনেকেই ঋণ করে অটোরিকশা কিনেছেন। গাড়ি আটকে থাকলে তাদের আয় বন্ধ থাকে, অথচ ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ চলতেই থাকে। পরিবারের সদস্যদের খাবার, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ চালাতে না পারায় আর্থিক সংকটের পাশাপাশি পারিবারিক অশান্তিও তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে রাস্তায় নামা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো কার্যকর পথ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

আরেক চালক বলেন, তারা রাজধানীর সব সড়কে অবাধে চলাচলের দাবি করছেন না; বরং যেসব সড়কে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ রয়েছে, সেগুলোতে বাধাহীনভাবে চলতে দিতে হবে। তার অভিযোগ, মিরপুর রোডে অটোরিকশা চলাচলে বিধিনিষেধ থাকায় তারা সেখানে যান না। কিন্তু ধানমন্ডির মতো এলাকাতেও চলাচল করতে গেলে গাড়ি আটক করা হচ্ছে। কোন সড়কে কী নিয়ম কার্যকর, তা স্পষ্টভাবে জানানো এবং নিয়ম মেনে চলা চালকদের হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।

মোহাম্মদপুর চার রাস্তার মোড়ে চালকদের অবস্থান কর্মসূচির কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। মোহাম্মদপুর থেকে বসিলা ও গাবতলীর দিকে যাতায়াতের পথ আটকে যাওয়ায় বিকল্প সড়কেও চাপ বাড়ে। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের এলাকার চলাচলে। কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য গন্তব্যে যেতে গিয়ে যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হয়। যানজটের মধ্যে আটকে থাকা যানবাহনের যাত্রীদের পাশাপাশি হেঁটে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করা মানুষও ভোগান্তিতে পড়েন।

সড়ক অবরোধের এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ, বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও অসুস্থ যাত্রীরা। রাজধানীর একটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক বন্ধ হয়ে গেলে তার প্রভাব আশপাশের একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে। মোহাম্মদপুরের এই অবরোধও নগরীর দৈনন্দিন যান চলাচল এবং জনজীবনের ওপর চাপ তৈরি করেছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের নির্দেশের প্রতিবাদে মহাখালী, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁও, নাখালপাড়া, মিরপুর, গাবতলী ও ডেমরাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছিলেন চালকেরা। সে সময়ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানজট তৈরি হয় এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। 

আরও পড়ুন: প্রেস ক্লাবের সামনের সড়ক ছেড়েছেন অটোচালকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

উচ্চ আদালতের নির্দেশ ঘিরে যে বিরোধের সূত্রপাত

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিয়ে বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ পটভূমি রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর ঢাকা মহানগর এলাকায় তিন দিনের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। প্যাডেলচালিত রিকশার মালিকদের সংগঠনের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর বেঞ্চ ওই নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছিল। ওই আদেশের পরদিন থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চালক ও মালিকেরা বিক্ষোভে নামেন। তারা রিকশা চলাচলের সুযোগ বহাল রাখা, জীবিকার নিরাপত্তা এবং নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

হাইকোর্টের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরকারের আপিল করার সিদ্ধান্তের ফলে বিষয়টি কেবল সড়কে চলাচলের অনুমতি নিয়ে বিরোধে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং আদালতের নির্দেশ, প্রশাসনিক বাস্তবায়ন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকার প্রশ্নও আলোচনায় আসে।

তবে ২০২৪ সালের আদালতের নির্দেশকে বর্তমান পরিস্থিতির সম্পূর্ণ আইনি অবস্থান হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে আদালতের আদেশ, আপিলের অগ্রগতি, সরকারি নীতিমালা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের হালনাগাদ অবস্থা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও চালকদের অভিযোগ

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে অতীতে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের অনুপস্থিতিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করা হয় এবং তারা অবৈধ যানবাহন শনাক্ত ও জব্দের কাজে পুলিশকে সহযোগিতা করেন।

এ নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের একাংশ অভিযোগ করেছিলেন, শিক্ষার্থীরা রাস্তায় তাদের গাড়ি আটকানোর পাশাপাশি ব্যাটারি খুলে রাখা কিংবা ব্যাটারির সঙ্গে যুক্ত বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ফেলার মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডে গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে বলে তাদের দাবি। অন্যদিকে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করাই ছিল সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য। অভিযোগগুলোর প্রতিটি ঘটনা পৃথকভাবে যাচাই না করে কোনো পক্ষকে সামগ্রিকভাবে দায়ী করার সুযোগ নেই।

২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার মোড় এলাকায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, ওই শিক্ষার্থী ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অটোরিকশা আটকানোর কাজে যুক্ত ছিলেন। একই সময়ে অটোরিকশাচালকদের ওপর শিক্ষার্থীদের হামলার অভিযোগও সামনে আসে। দুই চালক আহত হওয়ার দাবি করেছিলেন। 

এসব ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, যানবাহন নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে স্পষ্ট নীতিমালা ও দায়িত্ব নির্ধারণ না থাকলে সড়কে চালক, শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

নিষেধাজ্ঞা, জীবিকা ও সড়কের শৃঙ্খলা সমাধান কোথায়?

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে তিনটি বিষয় সড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং চালকদের জীবিকা। একদিকে যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, সড়কের ধারণক্ষমতা, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন রয়েছে; অন্যদিকে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল চালক ও তাদের পরিবারের আয়ের বিষয়টিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

সমস্যা সমাধানে কোন সড়কে অটোরিকশা চলবে, কোন সড়কে চলবে না, কী ধরনের যানবাহন অনুমোদিত হবে, নিবন্ধন ও চালকের যোগ্যতার শর্ত কী হবে এবং নিয়ম ভাঙলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এসব বিষয়ে স্বচ্ছ ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রয়োজন। পাশাপাশি অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নিয়মিত ও সমন্বিত প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে এক এলাকায় অভিযান চালানো হলেও অন্য এলাকায় একই ধরনের অনিয়ম চলতে না পারে। গাড়ি আটক, জরিমানা ও ডাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং গাড়ি ছাড়ানোর সময়সীমা স্পষ্ট থাকলে হয়রানি নিয়ে অভিযোগও কমতে পারে।

২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকদের আরেকটি বিক্ষোভে ডাম্পিং, জরিমানা, চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং রাজধানীর সড়কে চলাচলের সুযোগ নিয়ে অভিযোগ সামনে আসে। সেদিন কয়েক হাজার চালক সড়ক অবরোধ করেন এবং বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সড়ক ছেড়ে মিছিল নিয়ে চলে যান। চালকদের দাবি ছিল, ডাম্পিং ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং রাজধানীর সড়কে অটোরিকশা চলাচলের বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এর আগে ২০২৬ সালের ৬ অক্টোবর সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঢাকা শহরে নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে ৮ সেপ্টেম্বর তিনি জাতীয় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলের আইনি সুযোগ নেই এবং জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। 

এই বক্তব্যগুলো থেকে বোঝা যায়, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সড়কভেদে নিয়ম নির্ধারণ ও জীবিকার বিষয়টি নীতিনির্ধারণী আলোচনায় রয়েছে। তবে ১১ অক্টোবরের অবরোধের আগে দেওয়া কথিত তিন দিনের মধ্যে চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারির সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মোহাম্মদপুরের রবিবারের অবরোধে চালকেরা মূলত তাদের গাড়ি চলাচলের সুযোগ, ডাম্পিং বন্ধ এবং জীবিকার নিরাপত্তার দাবি সামনে এনেছেন। অন্যদিকে নগরবাসীর প্রত্যাশা, যানজট ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে কোনো পক্ষের দাবির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল বারবার বন্ধ হয়ে না পড়ে। এই দুই বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনাই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ হতে পারে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়