শেষমেশ পুরস্কারের ২ কোটি টাকা হাতে পেল হামজা-জামালরা
ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় উদযাপন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। গত ১৮ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঘোষণা করেছিলেন, দলকে মোট ২ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) অবশেষে সেই আর্থিক পুরস্কার বিতরণ করা হয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ভবনে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) লাবণী চাকমার কাছ থেকে চেক গ্রহণ করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজার আমের খান এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
ভারতের বিপক্ষে খেলা ২৩ জন ফুটবলারের মধ্যে হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া ও দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা প্রত্যেকে ৭ লাখ টাকা পেয়েছেন। দলের প্রধান কোচ হাভিয়ের কাবরেরা এবং ম্যানেজার আমের খানও একই পরিমাণ অর্থ পেয়েছেন। এছাড়া কোচিং স্টাফের আরও পাঁচ সদস্য প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা করে পুরস্কৃত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন ঋতুপর্ণা চাকমা
তবে এই তালিকায় জায়গা হয়নি এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এবং স্টাফের, যারা দলের দৈনন্দিন কার্যক্রমে অবদান রাখেন। এর মধ্যে আছেন টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসীন- যিনি ২০০৩ সালে ভারতের বিপক্ষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সেমিফাইনালের জয়েও দলের সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া ভিডিও অ্যানালিস্ট নাসিফ ইসলাম, মিডিয়া ম্যানেজার ও টিম ডাক্তারও এই পুরস্কার পাননি।
পুরুষ দলের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতা লক্ষ্যণীয়, কারণ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপাজয়ী ও এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ওঠা নারী ফুটবল দল বোনাস পাওয়ার সময় তাদের টিম ডাক্তার, ভিডিও অ্যানালিস্ট এবং মিডিয়া ম্যানেজারকেও পুরস্কৃত করা হয়েছিল।
পুরস্কারের বিষয়ে মন্তব্য করে ম্যানেজার আমের খান বলেন, ফেডারেশন থেকে ৪০ জনের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইব্রাহিমসহ আরও কয়েকজন ক্যাম্পে ছিলেন এবং তাদের নামও ছিল। আমরা আজ এনএসসিতে ৩০ জনের চেক পেয়েছি।
দল ও কর্মকর্তাদের জন্য আর্থিক পুরস্কারের এই বিতরণ বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে রেকর্ড হয়ে থাকবে, যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টাফের বঞ্চনা আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








