‘অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
পরিকল্পিতভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি এখন তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু। যারা একসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করেনি, তারাই আজ নানা কূটকৌশলে দুষ্টামি করছে।
তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে এই দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসির পথে থাকবে, নাকি উগ্রবাদী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাতে চলে যাবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা একসময় মানুষ হত্যা করেছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগিতা করেছে, সেই ইতিহাস আমরা ভুলে যাইনি। তারপরও আমরা বলি রাজনীতি করতে হলে সোজা পথে করুন। ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন।
ধর্মের নামে রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কথা বলে মানুষকে ভুল পথে নেওয়া হচ্ছে। এসব মোনাফেকি রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও তারেক রহমানের আধুনিক রাজনীতি গ্রহণ করতে উন্মুখ। ঠিক সেই সময়েই ধর্মের নামে আবার বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ধর্মে বিশ্বাস করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছেন এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের কথা বলেছেন। তাই ধর্মের নামে অপরাজনীতি বন্ধ করতে হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আর মাত্র ২৩ দিন বাকি। এখনও কেউ কেউ বলে নির্বাচন হতে দেবে না। বাস্তবে তাদের জনগণের সমর্থন নেই। নির্বাচন হোক, দেখা যাক কার কত ভোট।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচন চায় এবং জনগণের কাছে যাবে। জনগণ রায় দিলে সরকার গঠন করবে, না দিলে বিরোধী দলে থাকবে। কিন্তু আগেভাগে এত গলাবাজির কোনো মানে নেই।
আরও পড়ুন: বিএনপির চাপে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ইসি: অভিযোগ এনসিপির
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








