আপিলও খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী
ফাইল ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে গেল। প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর কোনো আইনি সুযোগ থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এই আসনে চারবার সংসদ সদস্য ছিলেন। তফসিল ঘোষণার পর দেবীদ্বার উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৪ আসনে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
আরও পড়ুন: রিট খারিজ, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী
নির্বাচন কমিশনে এই আপিলের শুনানি ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিনে নির্বাচন কমিশন হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। এর পর মুন্সী হাইকোর্টে রিট করেন। ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট তার রিট খারিজ করে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। এরপর ২২ জানুয়ারি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। আপিল বিভাগের এই শুনানি শেষে তার আবেদন খারিজ করা হয়।
আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।
এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেন।
আপিলে তিনি অভিযোগ করেন যে, বিএনপির প্রার্থী ঋণ খেলাপির তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নির্বাচন ভবনের আগারগাঁও মিলনায়তনে শুনানি শেষে ইসি ১৭ জানুয়ারি এই আপিল মঞ্জুর করে মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর তিনি ইসির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন, যা ২১ জানুয়ারি খারিজ হয়। আপিল বিভাগের সর্বশেষ আদেশের ফলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








