News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:৩৬, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডি জাতির জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায়: মির্জা ফখরুল

পিলখানা ট্র্যাজেডি জাতির জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায়: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত

বিডিআর বিদ্রোহের জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে জাতির ইতিহাসের এক অত্যন্ত লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি মন্তব্য করেছেন, ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭২ জন মানুষকে হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দেওয়া এবং সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদদের স্মৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, তা ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এক সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের গৌরবময় সেনাবাহিনীর শক্তি খর্ব করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। তবে এদেশের দেশপ্রেমিক জনগণ সেই চক্রান্ত রুখে দিয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন হবে না’

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সুশাসনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এলজিআরডি মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখন দেশের সার্বভৌমত্বকে সুসংহত এবং গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক সুযোগ লাভ করেছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, দেশকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

পিলখানা ট্র্যাজেডির ন্যায়বিচার প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করতে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করা হবে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অপরাধীদের যথাযথ আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কোনো অপরাধীই যাতে পার না পায়, সে ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়