News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২১:৫৪, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ০৮:১৮, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফলাফলের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমার নির্দেশ

ফলাফলের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমার নির্দেশ

ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব দাখিল না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত পরিপত্র জারি করা হয়। 

কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি এজেন্টকে ফরম-২২-এ হলফনামাসহ নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। যেসব প্রার্থী নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তারা নিজেরাই এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী রিটার্নের সঙ্গে ফরম-২২ক, ২২খ ও ২২গ-এর নমুনায় প্রয়োজনীয় হলফনামা জমা দিতে হবে। প্রার্থী বা নির্বাচনি এজেন্টকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা রিটার্ন ও হলফনামার অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।

ইসি স্পষ্ট করেছে, নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্যই ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৯(১) অনুসারে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। এমনকি কোনো প্রার্থীর নির্বাচনে ব্যয় না হলেও নির্ধারিত ফরমে শূন্য ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ৮২ ঘণ্টা নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ করে ইসির জরুরি নির্দেশনা

নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে দাখিল না করা বা সংশ্লিষ্ট আদেশ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধের জন্য অনধিক সাত বছর এবং অন্যূন দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের না হলে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। আর হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকলে এবং আদালত এ বিষয়ে কোনো আদেশ দিলে, সেই আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মামলা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪ঘ (১) অনুসারে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের সম্ভাব্য তহবিলের উৎসের বিবরণী, ব্যয়ের রিটার্ন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দলিল-দস্তাবেজ রিটার্নিং কর্মকর্তা তার কার্যালয়ে বা সুবিধাজনক অন্য কোনো স্থানে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়