শপথের পরদিনই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত
শপথ গ্রহণের পরদিনই প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেছে নবগঠিত সরকার। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর তার নেতৃত্বে এটিই ছিল মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। নতুন সরকারের নীতিনির্ধারণী এই প্রথম সভায় দেশের প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি ও উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টায় সচিবালয়ের এক নম্বর ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়।
নতুন সরকারের প্রথম কার্যদিবসেই অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের আগে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে সরকারপ্রধান সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে তিনি তার দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ সম্পাদন করেন। বৈঠকের সূচি অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার আলোচনার পর তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। মূলত সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের রূপরেখা দিতেই এই সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সচিবালয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে সরকারের চলমান কার্যক্রম, নীতিগত অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও এদিন সচিবালয়ে উপস্থিত হন। তারা নিজ নিজ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বৈঠক শুরুর ঠিক আগে এক নম্বর ভবনে যোগ দেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সচিবদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসবেন বলেও জানা গেছে।
এদিন সকাল থেকেই সচিবালয়জুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)-এর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
একই সঙ্গে সচিবালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়, ফলে পুরো এলাকা কার্যত কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে আবদ্ধ ছিল।
নতুন সরকারের সূচনালগ্নে অনুষ্ঠিত এই প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠককে প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং নীতি বাস্তবায়নের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








