লালমনিরহাট সংবাদদাতা || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৩৮, ৯ অক্টোবর ২০২৬
আপডেট: ১০:৩৯, ৯ অক্টোবর ২০২৬

লালমনিরহাটে স্কুলের উন্নয়নের প্রকল্পের টাকা পিআইও`র পকেটে

লালমনিরহাটে স্কুলের উন্নয়নের প্রকল্পের টাকা পিআইও`র পকেটে

ছবি: নিউজবাংলাদেশ

লালমনিরহাট সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকার সরকারি প্রকল্পের টাকা কৌশলে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (টিআর-নগদ টাকা) কর্মসূচির আওতায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার সাপটানা আবাসনের ভিতরে অবস্থিত 'পৌর শিশু নিকেতন' স্কুলের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়| লালমনারহাট সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকার এ প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে রাখেন রাশেদকে। তবে এই রাশেদ শুধু এই প্রকল্পের সভাপতি নন। তিনি পিআইও'র আস্থা ভাজন হওয়ায় 'সাপটানা আবাসনের পুকুরপাড় সংস্কার' প্রকল্পের সভাপতিও।

 এ প্রকল্পে পুকুরপাড় সংস্কারের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ উত্তোলন করা হয়। অথচ করা হয়নি কোন সংস্কার কাজ| কিন্তু কাগজ- কলমে দেখানো হয়েছে প্রকল্প দুটির কাজ শেষ। তবে প্রকল্প দুটির জন্য ব্যক্তিগত ভাবে প্রকল্পের সভাপতি রাশেদের কাজ থেকে ৩ লাখ টাকা জোর করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকারের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, পৌর শিশু নিকেতন স্কুলে আবাসনের ভিতরের বাসিন্দাদের সন্তানরা লেখা-পড়া করেন| তাই আমরা সবাই চাই এই স্কুলের উন্নয়ন সঠিক ভাবে হোক। কিন্তু সরকারি ভাবে উন্নয়নের জন্য টাকা আসলেও তার সঠিক ব্যবহার হয়নি| নামমাত্র উন্নয়ন দেখিয়ে ভাউচার ˆতরি করে বেশি বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। আমরা চাই আমাদের এলাকার দুলু মন্ত্রী স্যার এর বিচার করুক।

পৌর শিশু নিকেতন স্কুলের উন্নয়ন এবং সাপটানা আবাসনের পুকুরপাড় সংস্কার এই দুটি প্রকল্পের সভাপতি রাশেদ জানান, কাগজ কলমে এই প্রকল্প দুটির সভাপতি আমাকে বানানো হলেও সঠিক ভাবে কাজ করতে দেয়া হয়নি। প্রকল্প দুটির মোট ৬ লাখ টাকা আমার নামে আসলে আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করে সেখান থেকে জোর পূর্বক ৩ লাখ টাকা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকার নিজে নেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে সপরিবারে স্কুলশিক্ষক হত্যা, সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকার বলেন, প্রকল্প দুটির সভাপতি রাশেদ যদি কাজ না করে তাই তার কাজ থেকে ৩ লাখ টাকা ফেরত নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে কাজগুলো শেষ করা হয়েছে। এখনো আমার পকেটে ৩০ হাজার টাকা আছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়