স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:৩৫, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাছে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাছে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কক্সবাজারের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়া পাহাড়ি এলাকায় প্রায়ই লোকজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এ ধরনের অপরাধ বন্ধে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ অনুযায়ী ওই দুই এলাকায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি স্থাপন করা হলে এসব এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্প এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে সোলার লাইট ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর কন্ট্রোল ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একজন ডিআইজির নেতৃত্বে এসব অভিযানে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও অংশ নেন।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-সংশ্লিষ্ট অপরাধের মধ্যে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া দণ্ডবিধির আওতায় বিভিন্ন সাধারণ অপরাধও সংঘটিত হয়। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি এপিবিএনের নেতৃত্বে ক্যাম্প-সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি এপিবিএনকে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বাহিনীটিতে এসআই পর্যায়ের প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: রমজানে সিন্ডিকেট করলে কঠোর হবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

এদিকে, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সুশাসনের আওতায় আনতেও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে সারদার মতো একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ জন্য জমি খোঁজা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়