নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:৫১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে ২০ ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার

পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে ২০ ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণভবনের পেছনের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০টিরও বেশি তাজা ককটেল এবং পেট্রোল বোমা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই সফল অভিযানের পর পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করতে ঘটনাস্থলে কাজ করছে এসআরবির বিশেষায়িত বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এসআরবির একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে মাঠের ভেতর থেকে ব্যাগভর্তি অবস্থায় ককটেল ও পেট্রোল বোমাগুলো উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান জানান, সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ২০টির বেশি ককটেল ও পেট্রোল বোমা সদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে তলব করা হয়। বর্তমানে তাদের বিশেষজ্ঞ টিম পুরো প্রক্রিয়ার তদারকি করছে।

আরও পড়ুন: টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে পিচ্চি রাজার পলায়ন, বরখাস্ত ৫ পুলিশ সদস্য

উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে এসআরবির স্কোয়াড্রন লিডার নিফাজ বলেন, আমাদের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। একটি ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু বিস্ফোরক পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছু বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে যেসব বোমা একটু দূরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন, সেগুলোকে লোকালয়ের বাইরে নিয়ে গিয়ে পর্যায়ক্রমে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে। আনুমানিক ২০টির মতো ককটেল ও পেট্রোল বোমা এখানে মজুদ করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিমও ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাবলয় তৈরি করায় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ ও এর আশেপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।

পুলিশ ও এসআরবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অত্যন্ত সংবেদনশীল এই এলাকায় এবং বিশেষ করে গণভবনের পেছনের এই মাঠে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক কীভাবে এল, কারা এর পেছনে জড়িত এবং এগুলো দিয়ে কোনো বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমানে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত তল্লাশি চালানো হচ্ছে যাতে আশপাশে আর কোনো বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা যায়। উদ্ধার অভিযান, তল্লাশি এবং বিস্ফোরক সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়করণের কাজ শেষ হলে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়