News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:১৪, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক শুরু

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক শুরু

ছবি: সংগৃহীত

নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় গতি আনতে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে শুরু হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মন্ত্রিসভার সকল সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের পর এক সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে আয়োজিত এই বৈঠকটি সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকটি ছিল মূলত সৌজন্যমূলক ও পরিচিতি পর্বের। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রাথমিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। তবে আজকের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজকের বৈঠকে আর কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সরাসরি রাষ্ট্র সংস্কার ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইনি ও নীতিগত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে। প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বেশ কয়েকটি নতুন আইনের খসড়া আজ নীতিগত অনুমোদনের জন্য টেবিলে উত্থাপিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: পর্দা উঠছে বইমেলার: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন। আজকের সভায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডের আওতা বাড়ানো এবং প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ডের চূড়ান্ত রূপরেখা আজ চূড়ান্ত হতে পারে। বাজার নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এসব প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়নকে সরকারের একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত রয়েছেন। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম এক সপ্তাহের কাজের পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিশেষ কিছু সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আজকের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো সরকারের আগামী পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি মজবুত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে। দুপুরের পর বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংবাদ ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলো গণমাধ্যমকে অবহিত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়