News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:৩১, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পিলখানা হত্যার নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

পিলখানা হত্যার নেপথ্য কারণ এখন স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত নেপথ্য কারণ এখন দেশের মানুষের কাছে পুরোপুরি বোধগম্য ও স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের সেই ভয়াবহ দিনে শাহাদাতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন যে, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। এই নৃশংস ঘটনায় ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। 

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর থেকে দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা শুরু হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে আদালতে চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। 

আরও পড়ুন: পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

তবে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী এক গভীর চক্রান্ত বিদ্যমান ছিল। নাগরিক হিসেবে এই সত্যটি উপলব্ধি করা প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত জরুরি। 

তিনি আরও বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানের স্বাধীন বাংলাদেশে সেই অন্ধকার রহস্য এখন মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।

সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভবিষ্যতে আর কোনো অপশক্তি যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী পিলখানায় শহীদ হওয়া সকল সদস্যের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হোক এবারের শহীদ সেনা দিবসের প্রধান প্রত্যয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়