বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না গেলে অন্য দেশকে সুযোগ দেবে আইসিসি
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যায়, তাহলে বদলি হিসেবে অন্য কোনো দেশকে সুযোগ দেওয়া হবে। আইসিসি সভায় ভোটাভুটিতে এই রায় দিয়েছে বোর্ড সদস্যরা।
ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আর একটি দিন সময় দেওয়া হয়েছে বিসিবিকে।
বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু সরিয়ে নিতে বিসিবির অনুরোধ বুধবার খারিজ হয়ে যায় আইসিসি বোর্ড সদস্যদের ভোটে। বাংলাদেশের বাইরে স্রেফ আর একটি ভোট বাংলাদেশের পক্ষে গেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ২–০ পিছিয়ে থেকেও শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
এই অনলাইন সভায় যোগ দেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ভারতীয় বোর্ডের সচিব দেবাজিৎ সাইকিয়াসহ টেস্ট খেলুড়ে সব দেশের প্রতিনিধি, সহযোগী দেশগুলোর দুই প্রতিনিধি, আইসিসির প্রধান নির্বাহী সাঞ্জোগ গুপ্তা, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাওয়াজা ও আইসিসির মহাব্যবস্থাপক (ইভেন্টস) গৌরাভ সাক্সেনা।
এছাড়া ছিলেন আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। গত শনিবার ঢাকায় এসে আইসিসির প্রতিনিধি হিসেবে বিসিবির সঙ্গে সভা করে গিয়েছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, স্কটল্যান্ড ইউরোপীয় বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও জার্সির (ব্রিটেন রাজ পরিবারশাসিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল) পেছনে থেকে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।
আইসিসি বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে চেয়ারম্যান জয় শাহ ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সভাপতি শাম্মি সিলভা, পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন নাকভি, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ডসহ সব পূর্ণ সদস্য দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
এছাড়া আইসিসির শীর্ষ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের মধ্যে সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত, ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা, ইভেন্টস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা উপস্থিত আছেন। সহযোগী সদস্য দেশের প্রতিনিধি ও আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভও বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ ঢাকা সফরে এসে বিসিবির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন এবং ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করেন।
এর মধ্যেই খবর এসেছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে ভারতে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।
অন্যদিকে একটি স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থার প্রস্তুত করা ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ভেন্যুগুলোতে খেলতে যাওয়া দলগুলোর জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ‘মাঝারি থেকে উচ্চ’ পর্যায়ের হলেও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ গ্রুপ ‘সি’-তে রয়েছে এবং তাদের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতায় ৭, ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ গ্রুপ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








