স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:৪৭, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আলাপ-আলোচনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আলাপ-আলোচনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার পূরণে সবার আগে বাংলাদেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য - রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস- ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তাদের সব গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্‌ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যেই সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন এবং মানুষের বাক্‌, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতা এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।

বিএনপি সরকারে থাকুক কিংবা বিরোধী দলে সব অবস্থান থেকেই দলটি বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

আরও পড়ুন: চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।

বাণীর শেষাংশে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়