নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২০:১৪, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেট: ২০:২১, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, মিলবে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, মিলবে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ফাইল ছবি

আসন্ন পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিনের সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির প্রধান তালিকায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে কোনো সাধারণ বা গেজেটভুক্ত ছুটি রাখা হয়নি। ফলে সরকারি অফিস-আদালত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু থাকবে।

ধর্মীয় এই পবিত্র দিনটি বুধবার পালিত হলেও এর পরের দিন অর্থাৎ ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত কার্যক্রমের দিন হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। এরপর ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। তবে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার নিজ দায়িত্বে বা নিয়েম অনুযায়ী ঐচ্ছিক ছুটি নেন, তবে তারা ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের দীর্ঘ অবকাশ বা ছুটির সুবর্ণ সুযোগ উপভোগ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো

এদিকে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মধুপূর্ণিমা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারের মধ্যে পড়ায় মধুপূর্ণিমা উপলক্ষে আলাদা বা অতিরিক্ত কোনো ছুটির সুযোগ থাকছে না।

সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট ছুটির তালিকা বাধ্যতামূলক হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। দেশের পাবলিক ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব আইন ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছুটি থাকবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর। এ কারণে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে এই ছুটি কার্যকর হয় না; কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখে, আবার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনটিতে স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়