লাইফস্টাইল ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:২৫, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

দই ভালো রাখতে সংরক্ষণে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

দই ভালো রাখতে সংরক্ষণে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন

প্রতীকী ছবি

খাবারের শেষে একটুখানি মিষ্টি দই কিংবা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টক দই এ দুইয়েরই রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তবে বাড়িতে পাতা হোক কিংবা বাজার থেকে কেনা, সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দইয়ের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হতে পারে। অতিরিক্ত টক হয়ে যাওয়া, দুর্গন্ধ বা ছাঁচ পড়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই দইয়ের স্বাদ ও মান বজায় রাখতে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। চলুন, জেনে নেওয়া যাক দই সংরক্ষণের উপায়।

দই জমে গেলেই ফ্রিজে রাখুন
বাড়িতে দই পাতার পর অনেকেই জমে গেলেও সেটি দীর্ঘ সময় ঘরের তাপমাত্রায় রেখে দেন। এতে দইয়ের গাঁজন প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং স্বাদ অতিরিক্ত টক হয়ে যেতে পারে। তাই দই জমে গেলে পরিষ্কার ও ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে দ্রুত ফ্রিজে তুলে রাখুন।

পাত্রের পরিচ্ছন্নতা ও ফ্রিজের তাপমাত্রা
দই সংরক্ষণের জন্য পরিষ্কার, শুকনো ও খাবার রাখার উপযোগী ঢাকনাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করুন। ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে রাখা ভালো। এতে দইয়ে ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি ধীর হয় এবং খাবারটি তুলনামূলক বেশি সময় ভালো থাকে।

চামচ ব্যবহারে সতর্কতা
দই নেওয়ার সময় প্রতিবার পরিষ্কার ও শুকনো চামচ ব্যবহার করুন। যে চামচ দিয়ে খাওয়া হয়েছে, সেটি দইয়ের মূল পাত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে মুখের লালা ও অন্যান্য দূষিত উপাদান দইয়ে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে দই দ্রুত নষ্ট হতে পারে।

ফ্রিজ থেকে বারবার বের করবেন না
দইয়ের পাত্র বারবার ফ্রিজ থেকে বের না করে প্রয়োজনমতো একবারে কিছুটা দই আলাদা পাত্রে তুলে নিন। এরপর বাকি দই দ্রুত ফ্রিজে ফিরিয়ে রাখুন।

সাধারণভাবে পচনশীল খাবার ঘরের তাপমাত্রায় দুই ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়। তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে এই সময়সীমা কমে এক ঘণ্টা হয়। তাই গরম আবহাওয়ায় দই সংরক্ষণের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

টক হয়ে যাওয়া দই খাওয়া যাবে কি?
দইয়ের স্বাভাবিক গাঁজন প্রক্রিয়ার কারণে এর স্বাদ কিছুটা টক হতে পারে। শুধু টক স্বাদ হলেই দই নষ্ট হয়ে গেছে, এমনটি নয়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা এবং মেয়াদের মধ্যে থাকা দইয়ের স্বাদে সামান্য পরিবর্তন এলেও তা খাওয়ার উপযোগী থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: খিটখিটে মেজাজিদের দিন

তবে দইয়ে তীব্র বা অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ, ছাঁচ কিংবা অস্বাভাবিক রং দেখা দিলে তা খাওয়া উচিত নয়। এমন দই রান্নায় ব্যবহার করাও নিরাপদ নয়। দই দেখতে স্বাভাবিক হলেও ভুলভাবে সংরক্ষণের কারণে সেটি অনিরাপদ হয়ে থাকতে পারে।

তাই দই খাওয়ার আগে এর সংরক্ষণের ইতিহাস, মেয়াদ ও অবস্থার দিকে খেয়াল রাখুন। সন্দেহ হলে ঝুঁকি না নিয়ে দই ফেলে দেওয়াই ভালো।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়