News Bangladesh

স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:১৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

‘ব্যাংক খাত সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকার নোট ছাপাতে হয়েছে’

‘ব্যাংক খাত সামলাতে হাজার হাজার কোটি টাকার নোট ছাপাতে হয়েছে’

ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক খাতের ধস সামাল দিতে সরকারকে হাজার হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাপাতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরবর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, পালিয়ে যাওয়া কিছু ব্যাংক মালিকের কোনো শেয়ার না থাকায় তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানির অর্থ পরিশোধ করতে সরকারকে বড় চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংক খাত থেকে ব্যাপক অর্থপাচার, বন্ধ কারখানায় শ্রমিকদের মাসের পর মাস মজুরি পরিশোধসহ নানা খাতে সরকারকে বড় ধরনের অদৃশ্য ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে।

বর্তমান বাজেট পরিস্থিতি তুলে ধরে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, যে পরিমাণ কর আদায় হচ্ছে, তার বড় অংশই সরকারের পরিচালন ব্যয় মেটাতে চলে যাচ্ছে। উন্নয়নসহ অন্যান্য খাত মূলত দেশি ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, বিদেশি ঋণের সামান্য অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হলেও অধিকাংশ অর্থ বিদেশি পরামর্শকদের পেছনে চলে যায়। সে কারণেই অপ্রয়োজনীয় বিদেশি ঋণনির্ভর প্রকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে। না হলে দেশ ঋণের ফাঁদে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতো।

সুদের হার ও মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, সুদের হার বাড়িয়ে রেখে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগের ধারণা থেকে এখন সরে আসা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামাতে হবে বা নীতি সুদের হার ১০ শতাংশে ধরে রাখতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আরও পড়ুন: ভরি প্রতি ৭ হাজার ৩৪৮ টাকা বাড়লো সোনার দাম

তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশিত মাত্রায় কমেনি, তবে এর প্রবণতা নিম্নমুখী। দেশের অর্থনীতি এখন নতুন এক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে, আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে যাওয়া আর সম্ভব নয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়