‘১০ মার্চ কড়াইল বস্তি থেকে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী’
ছবি: সংগৃহীত
বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকা থেকে এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, এই কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নিজ জেলা বগুড়া থেকে করার কথা ছিল। তবে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ৯ এপ্রিলের আসন্ন উপ-নির্বাচনের কারণে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার স্বার্থে বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, নির্বাচনের আগে সরকারি কোনো কর্মসূচি বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে এমন কারণে প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় সফর রাখেননি।
ডা. জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড স্মার্ট কার্ডের মতো হবে এবং প্রকল্পের মূল পরিকল্পনার চেয়ে ছয় গুণ বেশি কার্ড বিতরণ করতে হবে।
আরও পড়ুন: অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। উদ্বোধনের পর ধাপে ধাপে সারা দেশে কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিজয়ী হন এবং বিধি অনুযায়ী শপথের আগে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন। এ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিএনপির জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থীসহ মোট তিনজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, উপ-নির্বাচন চলাকালীন বড় কোনো সরকারি কর্মসূচি আয়োজন করলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারত। প্রধানমন্ত্রী নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেই সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ৯ এপ্রিলের ভোটকে সামনে রেখে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই উদ্যোগকে বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কড়াইল বস্তির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাত ধরে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমটি খুব শীঘ্রই দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








