তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রিতে নামার শঙ্কা, শৈত্যপ্রবাহ চলবে
ফাইল ছবি
হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রান্তিক জেলাগুলোতেও বইছে হিমশীতল বাতাস। গত কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।
আবহাওয়া গবেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি সহসা কাটছে না; বরং আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত শীত ও কুয়াশার এই দাপট অব্যাহত থাকতে পারে।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সোমবার (০৫ জানুয়ারি) রাতে এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই দেশের আটটি বিভাগের জেলাগুলো মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার ঘনত্ব ও বিস্তৃতি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) দেশের বড় একটি অংশে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে শীতের দাপট, জানুয়ারিতে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা
গবেষক পলাশ জানিয়েছেন, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ জেলায় দুপুর ১২টার আগে সূর্যের মুখ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোতে সকাল ১০টার পর রোদ দেখা যেতে পারে। দিনের বেলা দীর্ঘ সময় রোদ না থাকায় তাপমাত্রার বিশেষ কোনো উন্নতি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নেমে আসতে পারে। এতে করে ওইসব অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেবে।
চলমান এই শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে আরও অন্তত এক সপ্তাহ দেশবাসীকে এই প্রতিকূল আবহাওয়ার মোকাবিলা করতে হবে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি শীতজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ার বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








