News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৮:৪৬, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা নির্যাতন ও চাপের মুখেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো অভিযোগের সুরে কথা বলেননি। তার হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ ও ব্যক্তিত্ব সবাইকে মুগ্ধ করত। দক্ষিণ এশিয়ায় একজন নারী নেত্রী হিসেবে তার নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে খালেদা জিয়ার স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর উদ্যোগে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মার্শা বার্নিকাট বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। গভীর সংকট ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক। তিনি ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক মানুষ এবং বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ। বার্নিকাট বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন মানুষ খালেদা জিয়ার অবদান ও উত্তরাধিকার শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন ভেঙে পড়েছিল এবং বিরোধী মত দমন করা হচ্ছিল, তখন তিনি নির্ভীকভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তিনি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক বন্দিত্বকে একটি ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মানবাধিকার প্রতিবেদন থেকে তথ্য তুলে ধরেন।

স্মরণসভায় সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজেনাও খালেদা জিয়ার অমায়িক ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, অসুস্থতা ও অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যেও খালেদা জিয়া সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। অন্যদের জন্য তার দ্বার ছিল সবসময় উন্মুক্ত। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিরোধী দলে থাকলেও সবার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে রেখেছিলেন। ড্যান মজেনাও বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মার্ক শেফ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক চ্যাম্পিয়নের স্মরণসভা আয়োজন করতে পেরে তারা গর্বিত। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: বিজয় দিবসে আকাশ ছুঁয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের

এ সময় ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা বলেন, গণতন্ত্র ও জাতীয় রাজনীতিতে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন এপির সাবেক সম্পাদক মেরন বিলকাইন্ডসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার অবদান ও সংগ্রামী জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়