News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২১:৪১, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

বিজয় দিবসে আকাশ ছুঁয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের

বিজয় দিবসে আকাশ ছুঁয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

বিজয়ের ৫৪ বছর পূর্তিতে বিশ্বমঞ্চে অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছালো বাংলাদেশ। মহান বিজয় দিবসে আকাশে ৫৪টি জাতীয় পতাকা নিয়ে ‘ফ্রি ফল জাম্প’ বা প্যারাসুট জাম্পের মাধ্যমে নতুন একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে লাল-সবুজের দেশ। 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গিনেস কর্তৃপক্ষের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির কথা নিশ্চিত করেছে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে রাজধানী ঢাকায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। ‘মোস্ট ফ্ল্যাগস ফ্লোন সিমুলটেনিয়াসলি হোয়াইল স্কাইডাইভিং (প্যারাসুট জাম্প)’ শিরোনামে এই রেকর্ডটি অর্জন করেছে ‘টিম বাংলাদেশ’। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল টাইটেল হোল্ডার হিসেবে নাম লেখালো। 

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) সুনিপুণ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে এই অভিযানে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষ স্কাইডাইভারদের সঙ্গে অংশ নেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপার চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার মৃত্যু, ক্যাম্প কমান্ডারসহ অভিযানে অংশ নেয়া সেনা সদস্য প্রত্যাহার

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিমের মতে, বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্মরণীয় করে রাখাই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কাইডাইভারদের একত্রিত করে জাতীয় ঐক্য, সাহস এবং সক্ষমতার এক শক্তিশালী বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতেই এই রেকর্ডের প্রচেষ্টা চালানো হয়। ৫৪ বছর পূর্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আকাশে ৫৪টি জাতীয় পতাকা একযোগে উড়িয়ে স্কাইডাইভাররা এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করেন।

আইএসপিআর তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, এই অর্জন কেবল একটি সংখ্যা বা রেকর্ড নয়; বরং এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এই অভিযানের ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশ থেকে বীরত্বের সঙ্গে পতপত করে উড়তে থাকা লাল-সবুজের পতাকাগুলো নিয়ে অবতরণ করছেন স্কাইডাইভাররা। এই গর্বিত মুহূর্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও সাহসিকতায় অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়