News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:৩৯, ২ জানুয়ারি ২০২৬

ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর অনুমতি পেল বিমান

ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর অনুমতি পেল বিমান

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন পর আকাশপথে ফের সরাসরি যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক উষ্ণতার ধারাবাহিকতায় ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ ও সামা নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আঞ্চলিক বিমান চলাচলে এই সিদ্ধান্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তানের ফেডারেল সরকারের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর সে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএ) এই অনুমতিপত্র জারি করেছে।

মেয়াদ: প্রাথমিকভাবে এই অনুমোদন ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এটি পুনর্বিবেচনা বা নবায়ন করা হতে পারে।

আকাশসীমা: বিমান বাংলাদেশ নির্ধারিত ও অফিসিয়ালি অনুমোদিত রুট ব্যবহার করে পাকিস্তানের আকাশসীমা অতিক্রম ও ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ঘন কুয়াশায় নামতে পারেনি আন্তর্জাতিক ৯ বিমান

পাকিস্তানের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএ) জানিয়েছে, ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সমন্বয় নিশ্চিত করতে কিছু কঠোর শর্ত পালন করতে হবে: 

১. বরাদ্দকৃত আকাশপথ বা রুট কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। 
২. ঢাকা থেকে প্রতিটি ফ্লাইট উড্ডয়নের আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফ্লাইটের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে। 
৩. সকল প্রকার অপারেশনাল সমন্বয় ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সম্মতি নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।

পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হোসেন খান আগে থেকেই এই উদ্যোগের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। 

ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে এক বক্তব্যের ফাঁকে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্রমতে, সব ঠিক থাকলে চলতি জানুয়ারি মাসের শেষ নাগাদ সরাসরি এই ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কোনো ফ্লাইট চালু নেই। ফলে যাত্রীদের দুবাই বা দোহার মতো তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যাতায়াত করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় এই বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর পথ সুগম হয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনমানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়