শীতের তীব্রতা নিয়ে আসছে বড় দুঃসংবাদ, কাঁপছে দেশ
ফাইল ছবি
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে শীত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বুধবার জানিয়েছেন, আগামী বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা দুপুর পর্যন্ত কিছু কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের অন্তত ২১ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে আছে, যা কিছু দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: রাতে বাড়তে পারে শীত, কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশার আভাস
রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও শীতের অনুভূতি প্রবল থাকবে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বুধবার সকালে রেকর্ড করা হয়েছে গোপালগঞ্জে, যেখানে পারদ নেমেছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রবিবার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত সারাদেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকবে।
উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর–পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে সাধারণ মানুষ শীতের তীব্রতা অনুভব করছেন। বিশেষ করে যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছেন, আগামী ৫ জানুয়ারির পর আবার কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা কমে শৈত্যপ্রবাহ ফিরে আসতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দিনের তাপমাত্রা কম থাকায় শীতের অনুভূতি বেশি হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলে শীত তীব্র হয়। নতুন বছরের শুরুতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের ভোগান্তি অব্যাহত থাকতে পারে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








