News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:১৩, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

টানা পাঁচদিন ১৩ ডিগ্রিতে স্থির পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

টানা পাঁচদিন ১৩ ডিগ্রিতে স্থির পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত তেঁতুলিয়ায় টানা পাঁচদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে অবস্থান করছে। এতে ভোর ও রাতের সময় শীতের তীব্রতা স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে, আর জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪ শতাংশ। ভোরে হালকা কুয়াশা থাকলেও ঘন কুয়াশার দেখা মেলেনি। সকাল গড়াতেই ঝলমলে রোদ উঠলেও শীতের দাপট কমেনি।

এর আগের দিন শনিবারও একই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ২ থেকে ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করেছে। ফলে দিনের বেলায় রোদ থাকলেও ভোর ও সকালে শীতের কনকনে অনুভূতি থেকে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় নেমেছে শীতের আমেজ, তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তাপমাত্রা কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বিকেলের পর হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করে, যা সন্ধ্যা থেকে শীতের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়েছে।

মোটরসাইকেল চালক আকতার হোসেন বলেন, ভোরে গাড়ি নিয়ে বের হতে হয়। কুয়াশার কারণে এখন লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শীত এতটাই বেশি যে সকালে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ায় তেঁতুলিয়ায় শীত অন্য অঞ্চলের তুলনায় আগে নামে এবং বেশি তীব্র হয়। 

তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে শীত ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে। ডিসেম্বরের শুরুতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়