নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৫:৩৩, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’

‘ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে’

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং দেশের সার্বিক বাজারের প্রকৃত প্রভাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার পরই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে আনা হলেও সরকার কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের সদর উপজেলার কানিশাইলে সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর ডানতীরের কানিশাইলে নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, উৎপাদনকারী বা আমদানিকারক পর্যায়ে পণ্যের প্রকৃত মূল্য কত এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে তার কী ধরনের নেতিবাচক বা ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সার্বিক দিক বিচার-বিশ্লেষণ করেই কেবল জনস্বার্থে একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: এলপিজি সংকট, সরকারি দামে মিলছে না সিলিন্ডার

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও এর পরপরই সুরমা নদীর তীর রক্ষা ও চলমান অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মন্ত্রী দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, বর্তমান সরকার দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাগত এই উন্নতি দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। 

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

সুরমা নদীর তীর রক্ষা ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শীর্ষ প্রকৌশলী, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক এবং স্থানীয় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়