News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:২৬, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

১ কোটি লিটার সয়াবিন তেল ও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনছে সরকার

১ কোটি লিটার সয়াবিন তেল ও ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনছে সরকার

ফাইল ছবি

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

এতে মোট ব্যয় হবে ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। একই বৈঠকে সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানিরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১৯১ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। 

বৈঠকে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব উপস্থাপন করে। দরপত্র আহ্বানের পর চারটি প্রস্তাব জমা পড়ে, যেগুলো আর্থিক ও কারিগরি দিক থেকে রেসপনসিভ হিসেবে বিবেচিত হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে টিসিবির সুপারিশ অনুযায়ী ঢাকার সোনারগাঁও সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড থেকে ২ লিটার পেট বোতলে এক কোটি লিটার তেল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতি লিটার তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮০ টাকা ৮৫ পয়সা, যার ফলে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: মোবাইল ফোন আমদানিতে বড় সুখবর দিলো এনবিআর

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ভোজ্যতেল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ কোটি লিটার। এ পর্যন্ত এক কোটি ৫৫ লাখ লিটার তেলের ক্রয়চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। 

সরকার আশা করছে, নতুন ক্রয় চুক্তি দেশের নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করবে।

এছাড়া বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে এক কোটি ৫৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯১ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সৌদি আরবের সাবিক কোম্পানি থেকে তিন লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির পাশাপাশি আপদকালীন ও জরুরি পরিস্থিতি এবং দেশীয় কারখানায় সারের ঘাটতি মোকাবিলার জন্য আরও তিন লাখ মেট্রিক টনসহ মোট ছয় লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সার ৩৯০ মার্কিন ডলারে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকের সূত্র জানায়, রমজান উপলক্ষ্যে পণ্যের মূল্য পুনঃপর্যালোচনা সভা আগামী ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় ভোজ্যতেল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রস্তাবনা ও পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়