সাকিবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ফাইনালে এমআই এমিরেটস
ছবি: সংগৃহীত
আইএল টি-টোয়েন্টিতে এমআই এমিরেটসের হয়ে শুরুতে নিয়মিত সুযোগ না পেলেও সুযোগ পেয়েই নিজেকে একাদশের যোগ্য প্রমাণ করেছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভর করে আবুধাবি নাইট রাইডার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে এমআই এমিরেটস।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে আগে ব্যাট করতে নেমে আবুধাবি নাইট রাইডার্স ১২১ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে খেলতে নেমে ২৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে এমআই এমিরেটস।
ব্যাট হাতে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৩৮ রান করার পাশাপাশি কিপটে বোলিংয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন সাকিব আল হাসান।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও এমআই এমিরেটসের শুরুটা ভালো হয়নি। মন্থর ব্যাটিংয়ে ৭.১ ওভারে মাত্র ৩৬ রান তুলতেই তারা হারায় দুই ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার (৫) ও মুহাম্মদ ওয়াসিমকে (১০)।
তবে তৃতীয় উইকেটে টম ব্যান্টনের সঙ্গে সাকিবের ৮২ রানের জুটিতে ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। আবুধাবির বোলারদের কোনো সুযোগ না দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন এই দুই ব্যাটার। যদিও জয় পাওয়ার এক বল আগে আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব। অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন ব্যান্টন, যিনি ৫৩ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৬৪ রান করেন।
আবুধাবির বোলারদের মধ্যে অজর কুমার ১৩ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। সুনীল নারিন নেন ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট।
এর আগে টস জিতে আবুধাবিকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় এমআই এমিরেটস। সাকিবের পাশাপাশি বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন এএম গজানফার ও মুহাম্মদ রোহিদ। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অ্যালেক্স হেলস, লিয়াম লিভিংস্টোন ও আন্দ্রে রাসেলের মতো ব্যাটার থাকা সত্ত্বেও ১২০ রানের বেশি করতে পারেনি আবুধাবি।
বড় তারকাদের মধ্যে হেলস ৩৬ বলে ২৯ রানের মন্থর ইনিংস খেলেন। দলের পক্ষে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যাটার আলিশান শারাফ, যিনি ৪০ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে অপরাজিত ৫০ রান করেন।
আরও পড়ুন: ঢাকাকে উড়িয়ে দাপুটে জয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের
এমআই এমিরেটসের হয়ে গজানফার ২৪ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। রোহিদ ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং ফজলহক ফারুকী ৩০ রান খরচায় নেন ২ উইকেট।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








