News Bangladesh

ধর্ম ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:৪২, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

জুমার নামাজ আদায় করতে না পারলে করণীয় নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা

জুমার নামাজ আদায় করতে না পারলে করণীয় নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা

প্রতীকী ছবি

ইসলাম ধর্মে জুমার নামাজ প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমার দিনকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং কোরআন-হাদিসে এই দিনের নামাজ সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে জুমার জামাতে অংশ নিতে না পারলে একজন মুসলমান কী করবেন -এ বিষয়ে শরিয়তে রয়েছে স্পষ্ট নির্দেশনা।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা উপলব্ধি করো।” (সুরা জুমা, আয়াত: ৯)

নবী করিম (সা.) জুমার নামাজ হালকাভাবে নেওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে- “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে পরপর তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরে মোহর এঁটে দেন।” (বুখারি, হাদিস: ১০৫২)

তবে যুক্তিসঙ্গত ও শরিয়তসম্মত অজুহাত থাকলে জুমার নামাজের পরিবর্তে জোহরের নামাজ আদায় করার অনুমতি রয়েছে। মালিকি মাযহাবসহ অন্যান্য ফিকহি মতামতে গুরুতর অসুস্থতা, প্রবল বৃষ্টি বা কাদা, কারাবন্দি অবস্থা, অতিরিক্ত দুর্বলতা কিংবা রোগীর সেবায় ব্যস্ততার মতো কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

যদি কাজ বা বিশেষ কোনো বৈধ কারণে কেউ জুমার জামাতে অংশ নিতে না পারেন, তাহলে তিনি চার রাকাত জোহর আদায় করলে তার দায় দায়িত্ব পূরণ হবে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন—তিনি দ্বীনে কোনো সংকীর্ণতা রাখেননি এবং কাউকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্বও দেন না।

আরও পড়ুন: বাবরি মসজিদ নির্মাণ: ১১ দানবাক্সভর্তি টাকা, চলছে গণনা 

অতএব, কেবল বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত পরিস্থিতিতেই জোহর আদায় করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই ইচ্ছাকৃতভাবে জুমার নামাজ এড়িয়ে যাওয়া বা জোহর পড়ার উদ্দেশ্যে জুমা ফেলে দেওয়া যাবে না।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়