পবিত্র রমজানে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ
ফাইল ছবি
পবিত্র রমজান মাস ঘিরে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করছেন যারা—তাদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রমবর্ধমান খরচ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা সতর্ক করেছেন, এখনই বুকিং না দিলে ওমরাহ প্যাকেজের দাম ২ থেকে ৩ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে পরিবহন ও হোটেল ভাড়ার ঊর্ধ্বগতির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
দুবাইয়ের সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানায়, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লি আসতে চাওয়ার কারণে এমন চাপ তৈরি হয়। এতে সড়ক পরিবহন ও আবাসনের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং প্যাকেজ খরচ বাড়ে।
ওমরাহ অপারেটরদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় ১ হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে, এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, অনেক মানুষ শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আরও পড়ুন: ১৮ ফেব্রুয়ারি হতে রোজার প্রথম দিন
এছাড়া আকাশপথে ওমরাহর ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে শুরু হচ্ছে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার ২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ। হারামের হাঁটা দূরত্বে থাকা হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে হজের প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ১৮ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্টরা খরচ ও সময়—দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








