স্টাফ রিপোর্টার || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:২৮, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেট: ১৯:২৯, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, তবে জাতীয়তা হিসেবে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এ দেশের সবাই নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে চাই। ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু জাতীয় পরিচয় হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী সবাই নিজ নিজ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ভোগ করবেন।

তিনি বলেন, সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য না করার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয়ের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় আচার পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, আপনারা বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক। কেউই সংখ্যালঘু হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন না। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতে নিজেদের পরিচয় দেবেন এটাই আমরা আশা করি।

তিনি বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ এটাই হওয়া উচিত সবার পরিচয়। জাতীয়তার ক্ষেত্রে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি; এরপর যার যার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবর্তে ধর্মীয় সহাবস্থান, সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়