নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৬:১০, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মব কালচার দমনে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মব কালচার দমনে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

মবের অপসংস্কৃতি মোকাবিলায় সরকার সতর্ক ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মবের ঘটনা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং প্রচলিত আইনের আওতাতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। একই সঙ্গে সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানব পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামে আরও সক্ষম করে তোলার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

দুর্গম সীমান্ত এলাকায় জনবল দিয়ে নজরদারি কঠিন হওয়ায় নাইট ভিশন ও থার্মাল প্রযুক্তিসম্পন্ন ড্রোনের মাধ্যমে ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স বাড়ানোর পাশাপাশি আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেছেন মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের আখালিয়া এলাকায় বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার (SSSDW)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন ও ড্রোন প্রদর্শনী শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল সালাহউদ্দিন আহমদের প্রথম সিলেট সফর। সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বিমানযোগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তিনি সরাসরি বিজিবি সিলেট সেক্টর সদর দপ্তরে যান। সেখানে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর তিনি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের বিভিন্ন কার্যক্রম ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন এবং বিজিবির প্রশিক্ষিত সদস্যদের পরিচালনায় ড্রোনের ব্যবহারিক ও অপারেশনাল প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন।

মব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মবের ব্যাপারে সাধারণ আইনের মধ্যেই আছে। মব অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে সরকার। আমরা খুব সজাগ আছি, সচেতন আছি। বাংলাদেশে মবের যে অপসংস্কৃতি সৃষ্টি হয়েছিল সেটাকে আমরা শক্তভাবে মোকাবিলা করব ইনশাআল্লাহ।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবেও তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে মব সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা প্রচলিত আইনের মাধ্যমে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে মব সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থান এবং আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়েও গুরুত্ব পেয়েছে।

সীমান্ত নিরাপত্তাকে প্রযুক্তিনির্ভর করার পরিকল্পনা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের যেসব সীমান্ত এলাকায় দুর্গম ভূপ্রকৃতি, বনাঞ্চল কিংবা অন্যান্য কারণে সরাসরি জনবল মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো কঠিন, সেখানে ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। বিশেষ করে নাইট-মিশন ও থার্মাল সক্ষমতার ড্রোন ব্যবহার করে দিনের পাশাপাশি রাতেও সীমান্ত পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে সন্দেহজনক তৎপরতা শনাক্ত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের রুট চিহ্নিত করা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে। একই প্রযুক্তি মানব পাচারসহ আন্তসীমান্ত অপরাধ শনাক্তকরণেও কাজে লাগানো হবে বলে জানান তিনি।

বিজিবির নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্রকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে সরকার। উদ্বোধনের পর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন মন্ত্রীকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, বিজিবিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের আভিযানিক প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে প্রশিক্ষণ মাঠে বিজিবির প্রশিক্ষিত ড্রোন পাইলটদের অংশগ্রহণে সীমান্ত নিরাপত্তায় ড্রোনের বহুমুখী ব্যবহার নিয়ে বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে ড্রোনের মাধ্যমে বিজিবির টহল দলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, চোরাচালানবিরোধী অভিযানে সন্দেহভাজনদের শনাক্তকরণ, পুশ-ইন প্রতিরোধ এবং অনুপ্রবেশকারী বা অপরিচিত ড্রোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার দেখানো হয়। মহড়ার শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের সমন্বয়ে ফ্লাই-পাস্টও প্রদর্শন করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম মূলত বিজিবি সদস্যদের জন্য পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও সুযোগ অনুযায়ী বেসামরিক জনবলকেও উন্নত প্রযুক্তি ও ড্রোন পরিচালনার প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তিগুলো পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু সীমান্ত নজরদারি নয়, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা হবে।

ড্রোনের ব্যবহারকে শুধু সীমান্ত নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ না রেখে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও ড্রোন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান এবং দুর্গম পয়েন্টে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিতে বিজিবি সদস্যরা ড্রোন ব্যবহার করেছেন বলেও জানান তিনি। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবিক দুর্যোগ মোকাবিলায়ও নতুন প্রযুক্তির এই সক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: গুমের পরও শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজিবির নিজস্ব ড্রোন তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে ড্রোন অ্যাসেম্বল ও তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সক্ষমতা আরও বিকশিত হলে তা দেশের জন্য একটি প্রতিরক্ষা শিল্পে রূপ নিতে পারে। 

তার বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দেশের নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

সীমান্ত অপরাধ দমনে শুধু প্রযুক্তি নয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেন সালাহউদ্দিন আহমদ। 

তিনি বলেন, সীমান্তে সক্রিয় মাদক চোরাকারবারিরা অনেক সময় অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে থাকে। অথচ অতীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও অন্যান্য সক্ষমতার ঘাটতি ছিল। এখন তাদের আধুনিক অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ আরও কার্যকর করতে জেলা পর্যায়ে ল্যাবরেটরি, মালখানা, হাজতখানা, ট্রাইব্যুনাল ও ডগ স্কোয়াডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও সক্ষমতা বাড়ানোর কথাও তিনি তুলে ধরেন। সাম্প্রতিক সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক শনাক্তকরণ ল্যাব, হাজতখানা ও মালখানা স্থাপনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, মামলার আধিক্যের কারণে অনেক সময় অপরাধীরা আইনি ব্যবস্থার ফাঁকফোকর কাজে লাগানোর সুযোগ পায়। এ কারণে আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে প্রয়োজনীয় জনবল, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানো হলে চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা সমন্বিতভাবে বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।

সিলেটের এই সফরকে সীমান্ত নিরাপত্তা ও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ দেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত এবং এ অঞ্চলে সীমান্তকেন্দ্রিক চোরাচালান, মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় বিজিবির নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন হয়। নতুন ড্রোন প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার ফলে দুর্গম সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়নের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিজিবির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, নতুন প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে ড্রোন পরিচালনা ও প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি বাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। বিজিবি সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন স্বাগত বক্তব্য রাখেন। প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধনের আগে মন্ত্রীকে সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার-এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়। পরে তিনি ড্রোন স্কুল কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং বিজিবির দক্ষ পরিচালনায় বাস্তবভিত্তিক অপারেশনাল মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সালাহউদ্দিন আহমদের এটি ছিল সিলেটে প্রথম সরকারি সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, বিজিবির কর্মসূচি শেষে তিনি সিলেট সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভায় অংশ নেন। জেলার অপরাধ পরিস্থিতি, সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সেখানে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। পরে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কর্মসূচি ছিল তার। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ও নতুন ড্রোন প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সরকারের আইনশৃঙ্খলা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনাটি আরও স্পষ্ট হয়েছে। একদিকে মবের মতো আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের কঠোর প্রয়োগের বার্তা দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে সীমান্তে প্রচলিত জনবলনির্ভর নজরদারির পাশাপাশি ড্রোন, থার্মাল প্রযুক্তি, নাইট ভিশন ও ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্সের মতো প্রযুক্তিকে যুক্ত করার উদ্যোগ সামনে এসেছে। সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত নজরদারি, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধ, আন্তসীমান্ত অপরাধ শনাক্তকরণ এবং দুর্যোগকালে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সব ক্ষেত্রেই বিজিবির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়