News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:৪৬, ২ জুন ২০২৬
আপডেট: ১৮:৪৭, ২ জুন ২০২৬

সীমান্ত ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্ত ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি, রাজধানীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, বিচারাধীন হত্যা মামলা, নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন আইনগত সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে সরকারের অবস্থান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

মঙ্গলবার (০২ জুন) রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে একাধিক সমসাময়িক বিষয়ে আলাপকালে এসব বিষয়ে আলাপ করেন তিনি।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ‘বর্ডার কিলিং’ বিতর্ক এবং পুশব্যাক রোধে বাংলাদেশের অবস্থান
আসন্ন বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের নিয়মিত বার্ষিক বৈঠক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এটি একটি দ্বিপাক্ষিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া, যেখানে উভয় দেশের সীমান্তসংশ্লিষ্ট নানাবিধ সমস্যা ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে উত্থাপন করা হবে। তবে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনাকে ঢালাওভাবে 'বর্ডার কিলিং' বা সীমান্ত হত্যা হিসেবে অভিহিত করার দ্বিমত পোষণ করেছেন তিনি। 

মন্ত্রীর মতে, কোনো দেশের বাহিনী যদি আন্তর্জাতিক সীমানা লঙ্ঘন করে জিরো লাইনে বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে হত্যাকাণ্ড ঘটায়, কেবল সেটাকেই প্রকৃত অর্থে 'বর্ডার কিলিং' বলা চলে। অন্যদিকে, কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ (ইললিগ্যাল ট্রেসপাস) করে অন্য দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রীয় আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে; এটিকে 'বর্ডার কিলিং' বলা সমীচীন হবে না।

একই সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর 'বাংলাদেশি' পরিচয় দিয়ে সীমান্তে বিপুলসংখ্যক মানুষকে পুশইন বা পুশব্যাকের যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সে বিষয়ে সরকারের কঠোর ও সতর্ক অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা জোরপূর্বক পুশব্যাকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্তে বিজিবি-কে সর্বোচ্চ সতর্ক (অ্যালার্ট) অবস্থায় রাখা হয়েছে। তবে যদি প্রকৃতপক্ষে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক আইনি জটিলতায় সেখানে অবস্থান করে থাকেন এবং ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই-বাছাইপূর্বক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক তালিকা পাঠানো হয়, তবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ও আইনি নিয়ম মেনে তাদের প্রত্যাবাসন (রিপ্যাট্রিয়েশন) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। বর্তমানে এ সংক্রান্ত কোনো তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঝুলে নেই বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

মোহাম্মদপুরের অপরাধ দমন ও জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে কৌশলগত পরিকল্পনা
রাজধানীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আইনগত ও সামাজিক সংকট নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এলাকাটিকে অনেকে ‘ঢাকার জঙ্গল সলিমপুর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মোহাম্মদপুরের এই সংকট রাতারাতি বা আজকেই তৈরি হয়নি, এটি একটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। এখানে অপরাধের মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে মাদক ও জুয়ার বিস্তার। 

অপরাধীদের গ্রেফতারের পরও আইনের কিছু ফাঁকফোকরের কারণে দীর্ঘ মেয়াদের আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমান বাস্তবতার আলোকে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন এবং অনলাইন জুয়া বা বেটিং সংক্রান্ত ১৮৬৭ সালের প্রাচীন আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আগামী সংসদ অধিবেশনেই বিল আকারে উত্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার মোহাম্মদপুরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি রাখছে এবং পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধ নির্মূলে কাজ করছে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর অঞ্চলের সরকারি খাসজমিতে বসবাসকারী এবং সেখানে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী আস্তানা উচ্ছেদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অত্যন্ত কঠোর কিন্তু সংবেদনশীল কৌশল অবলম্বন করছে। 

মন্ত্রী জানান, জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ অধিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাসজমিতে বসবাস করছেন, সরকার তাদের ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করবে না। ভবিষ্যতে যদি সেখানে কোনো সরকারি প্রকল্প বা স্থাপনা গড়ে তোলা হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে তাদের পুনর্বাসনের (রিহ্যাবিলিটেশন) ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই মানবিকতার আড়ালে থাকা সন্ত্রাসীদের কোনো আস্তানা সেখানে রাখা হবে না। 

কৌশলগত ও অপারেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মুহূর্তেই বিশেষ অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, আগাম তথ্য ফাঁস হলে অপরাধীদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়ে, তবে সন্ত্রাস দমনে সরকারের সুনির্দিষ্ট ও কঠোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের ভূমিকা জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার এআই ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার পুনর্বাসন পুনর্বিবেচনা
রাজধানীর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ট্রাফিক জট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান সুফল মিলছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা ও পরিশ্রমে ট্রাফিক বিভাগ, পুলিশ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই দেশীয় মেকানিজমটি গড়ে তোলা হয়েছে। ট্রায়াল অ্যান্ড এরর (পরীক্ষা ও সংশোধন) ভিত্তিতে চলমান এই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক অটোমেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। সিটি কর্পোরেশন ও মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ এই সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। ঢাকায় এটি সম্পূর্ণ সফল হলে পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর, সিটি কর্পোরেশন ও মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতেও এই এআই প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে।

তবে আধুনিক এআই ট্রাফিক ব্যবস্থার সমান্তরালে সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা বা টমটমের অবাধ চলাচল ট্রাফিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একটি বড় দ্বান্দ্বিক পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে স্বীকার করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। 

তিনি বলেন, দেশের বিপুল বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের দোহাই দিয়ে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় হাজার হাজার অটোরিকশা সড়কে নেমে এসেছে। সরকার মানবিক কারণে এক দিনে হাজার হাজার মানুষকে বেকার করে দিতে পারে না, কারণ তা নতুন সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংকটের জন্ম দেবে। এই কারণে অটোরিকশাগুলোকে হুট করে পুরোপুরি নিষিদ্ধ না করে, ঢাকা শহরের মূল সড়কগুলোর বাইরে অন্য কোনো উপায়ে বা পুনর্বাসনের মাধ্যমে কীভাবে চালানো যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে যেন কর্মসংস্থানও ঠিক থাকে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাতেও কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

রামিসা হত্যা মামলা, আদ-দ্বীন হাসপাতালের শিশুমৃত্যু ও সাম্প্রতিক অপরাধের বিচারিক অগ্রগতি
পল্লবীর চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন এবং ইতোমধ্যে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ও তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করা এবং ফরেনসিক ও চিকিৎসকদের সাক্ষ্যগ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়মিত সম্পন্ন করা হচ্ছে। আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিলেও, মামলায় 'ডলার' নামক অপর কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা বা আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্যের ব্যাপারে তাঁর কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট বা আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই বলে জানান মন্ত্রী। 

একই সাথে বিচারাধীন বিষয়ে আদালতের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের বাইরে কথা বলার ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির জবানবন্দি পাঠ এবং উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) শেষে খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই আদালত এই মামলার রায় প্রদান করবেন।

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে সম্প্রতি একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) সময়মতো চালু না করা, এসি গ্যাস লিকেজ বা শ্বাসরোধজনিত কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল কি না সেটি পুলিশ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে। 

তবে এ ঘটনায় মৃত শিশুদের ময়নাতদন্ত (পোস্টমর্টেম) না করা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট ছাড়া আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই প্রকৃত ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি নিয়ে মরদেহ দাফনের পর পুনরায় উত্তোলন করে হলেও ময়নাতদন্ত করা হতে পারে। 

একই সাথে উক্ত ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মামলা হলে পুলিশ যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা বরদাশত করা হবে না।

এছাড়া মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অতি দ্রুত ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, যা অপরাধ দমনে পুলিশের একটি বড় সাফল্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিনে মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে জড়ানো প্রসঙ্গে মন্ত্রী কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে শীর্ষ বা ক্ষুদ্র সন্ত্রাসী বলে কোনো ভেদাভেদ নেই; অপরাধ প্রমাণ হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জামিন দেওয়া আদালতের সম্পূর্ণ নিজস্ব এখতিয়ার, তবে পুলিশ তার নিজস্ব দায়িত্ব পালন করে যাবে। 

পরিশেষে, সদ্য সমাপ্ত ঈদুল আজহার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া দেশের মানুষ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করেছে এবং আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ও প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়