বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ফাইল ছবি
রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে পলাতক ১৩ আসামিকে গ্রেফতারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত। আগামী ১৯ মে আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, '২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অন্য ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।'
এর আগে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৭টি ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এ অভিযোগ পত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করেন। তারা সরকারের বিভিন্ন দফতরের বৈধ অনুমোদন না নিয়ে নিয়ম-নীতি না মেনে অবৈধভাবে হোটেল ব্যবসা পরিচালনাসহ হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহার করেন। যে কারণে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পৌনে ১০টায় অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন ৎনিহত হয়। এর মধ্যে ৩ জন সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে মারা যান।
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। আর জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।
আরও পড়ুন: পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বদলি
এঘটনায় ১ মার্চ বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলায় পরস্পর যোগসাজশে অবহেলা, অসাবধানতা, বেপরোয়া, তুচ্ছতাচ্ছিল্য পূর্ণ কাজের জন্য গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিদগ্ধ ও শ্বাসনালিতে ধোঁয়া প্রবেশ করে জীবন বিপন্নসহ মারাত্মক জখম ও এর ফলে মৃত্যু ঘটানো এবং ক্ষতি সাধন করার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








