কোলেস্টেরল কমাতে ঘরোয়া উপায়
ছবি: এআই জেনারেটেড
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপন সবচেয়ে কার্যকর। এছাড়া ওটস, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, অলিভ অয়েল, বাদাম, এবং চিয়া বীজের মতো খাবার নিয়মিত খেতে হবে।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, ধূমপান বর্জন এবং ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চললে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL) কমে।
১. ঘরোয়া উপায়
খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন : ওটস, বার্লি, বিনস, মটরশুঁটি, আপেল এবং নাশপাতি রক্তে কোলেস্টেরলের শোষণ কমিয়ে দেয়।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট : রান্নায় মাখনের পরিবর্তে অলিভ অয়েল বা ক্যানোলা অয়েল ব্যবহার করুন। কাঠবাদাম ও আখরোট হার্টের জন্য ভালো।
ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার: চিয়া বীজ, তিসির বীজ (Flaxseed) এবং তৈলাক্ত মাছ (যেমন- স্যালমন, সার্ডিন) ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে।
শাকসবজি ও ফলমূল: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে তাজা শাকসবজি এবং ফল (বিশেষ করে লেবু জাতীয় ফল) খান।
বর্জনীয় খাবার: রেড মিট, প্রক্রিয়াজাত খাবার (Processed food), ডালডা, এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার সম্পূর্ণ বর্জন করুন।
আরও পড়ুন: তরমুজ খাওয়ার সঠিক সময় কখন, জানালেন বিশেষজ্ঞরা
২. প্রাকৃতিক উপায়
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে বা মেথি চিবিয়ে খেলে কোলেস্টেরল কমে।
রসুন: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন খেলে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমে।
সবুজ চা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি রক্ত পরিষ্কার করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।
লেবু ও মধু: কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৩. জীবনযাত্রার পরিবর্তন
নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালালে HDL বা 'ভালো' কোলেস্টেরল বাড়ায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত খাবারের মাধ্যমে ওজন কমালে কোলেস্টেরলের মাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
ধূমপান বর্জন: ধূমপান সরাসরি ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়, তাই এটি ত্যাগ করা জরুরি।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








