বিনোদন ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:৪১, ১৫ আগস্ট ২০২৬

সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

সেলেনা গোমেজ। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন পপতারকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ এবং তার স্বাস্থ্যবিষয়ক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ওয়ান্ডার মাইন্ড-এর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেছেন কয়েকজন বিনিয়োগকারী।

 বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রে মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলার অভিযোগে বিনিয়োগকারীরা দাবি করেছেন, সেলেনা গোমেজের তারকাখ্যাতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুল অনুসারীর প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওয়ান্ডার মাইন্ড-এর সম্ভাব্য সাফল্য সম্পর্কে তাদের বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। ২০২১ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটিতে সেলেনা সহ-প্রতিষ্ঠাতা, চিফ ইমপ্যাক্ট অফিসার ও চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, পাঁচ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সাফল্যের আশায় মোট ১২ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। তাদের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতির অবনতি হলেও কোনো প্রতিষ্ঠাতা, কর্মকর্তা বা পরিচালক তাদের এ বিষয়ে অবহিত করেননি।

মামলায় সেলেনার মা ও প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যান্ডি টিফি এবং সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েল পিয়ারসনকেও আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ জালিয়াতি, আইনগত প্রতারণা ও চুক্তি ভঙ্গসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের অর্থ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও আইনি খরচ দাবি করেছেন।

মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে ওয়ান্ডার মাইন্ড তাদের মূলধনের পরিমাণ ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বলে দাবি করেছিল। একই সময়ে বিনিয়োগকারীদের জেপি মরগানের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করপোরেট অংশীদারত্ব, বিজ্ঞাপন চুক্তি, তারকাদের নিয়ে কভার স্টোরি এবং একটি নতুন অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এসব উদ্যোগের কোনোটিই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

পরবর্তীতে গত বছর দ্য কাট-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ সমস্যার বিষয়ে জানতে পারেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সেলেনা গোমেজ, ম্যান্ডি টিফি ও ড্যানিয়েল পিয়ারসন যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৯০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ম্যান্ডি টিফি বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছিলেন, পিয়ারসন নিউইয়র্ক সিটিতে নিজের বাসার ভাড়া পরিশোধে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবহার করেছিলেন। এ খাতে মাসে প্রায় ৬০ হাজার ডলার ব্যয় করা হতো বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে দেন পিয়ারসন।

আরও পড়ুন: অনেক কিছুই আমার কাছে আছে, সময়মতো প্রকাশ করব: তানজিন তিশা

তবে সেলেনা গোমেজ ও অন্যদের বিরুদ্ধে করা এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়