News Bangladesh

স্পোর্টস ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২১:৪৩, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ২১:৪৪, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জাহানারার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন মঞ্জুরুল, যৌন হয়রানির সত্যতা পেল বিসিবি

জাহানারার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন মঞ্জুরুল, যৌন হয়রানির সত্যতা পেল বিসিবি

মঞ্জুরুল ইসলাম ও জাহানারা আলম

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা যৌন হয়রানিসহ চারটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে গঠিত স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। 

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানায়, অভিযোগগুলোর মধ্যে দুটি ক্ষেত্রে সাবেক নারী দলের নির্বাচক ও ব্যবস্থাপক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অসদাচরণের প্রমাণ মিলেছে।

গত বছরের ৭ নভেম্বর একটি ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাহানারা আলম মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ আনেন। এ ঘটনার তদন্তে ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করে বিসিবি।

কমিটির অন্য সদস্যরা ছিলেন বাংলাদেশ আইন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. নাঈমা হক, ব্যারিস্টার মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান খান, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বিসিবির পরিচালক ও নারী ক্রিকেট বিভাগের প্রধান রুবাবা দৌলা। 

আরও পড়ুন: আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে মারুফার অবিশ্বাস্য উত্থান, শীর্ষে জ্যোতি

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা কয়েক দফা বাড়ানোর পর গত ৩১ জানুয়ারি প্রতিবেদনটি সম্পন্ন হয় এবং ২ ফেব্রুয়ারি তা বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ বোর্ড গ্রহণ করেছে। জাহানারার আনা চারটি নির্দিষ্ট অভিযোগ পর্যালোচনা করে কমিটি দুটি অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পায়নি। তবে বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু আচরণ পেশাদার মানদণ্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের প্রযোজ্য নির্দেশিকার আওতায় ‘অসদাচরণ’ ও ‘হয়রানি’র সংজ্ঞার মধ্যেও পড়ে।

বিসিবি আরও জানায়, হয়রানি ও অসদাচরণের বিষয়ে বোর্ডের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনি দলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে হাইকোর্টের ২০০৯ সালের রায়ের আলোকে বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান রুবাবা দৌলাকে আহ্বায়ক করে একটি অভিযোগ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঞ্জুরুল ইসলামের সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ গত বছরের ৩০ জুন শেষ হয়েছে এবং এরপর থেকে তিনি বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত নন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়