নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:৪৭, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি রুটে ১০৭টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী

সৌদি রুটে ১০৭টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর দেশটির বিমানবন্দরগুলোয় বিধিনিষেধ আরোপের প্রভাব পড়েছে ঢাকা-সৌদি রুটের বিমান চলাচলে। এ পর্যন্ত এ রুটে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১০৭টি ফ্লাইটের চলাচল ব্যাহত বা বাতিল হয়েছে। এতে ভ্রমণ অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রী। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সৌদি আরবগামী এবং দেশটি থেকে বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪৪টি সরাসরি এবং ৬৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১০টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।

অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিগো। এয়ারলাইনসটির ২২টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, সালাম এয়ারের সাতটি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সৌদি আরবের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে যাতায়াতকারী যাত্রীদেরও ভ্রমণসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিলে দুর্ভোগে ১৫ হাজার যাত্রী

ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি বিকল্প ফ্লাইট ও রুটের ব্যবস্থা নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। যাঁরা নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছে কর্মস্থলে যোগদান, জরুরি কাজ কিংবা পারিবারিক প্রয়োজনে যাতায়াতের পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁদের অনেককেই নতুন সময়সূচির অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। একইভাবে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদেরও যাত্রা পুনর্নির্ধারণের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বেবিচক। সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ফ্লাইটের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোয় আরোপিত বিধিনিষেধ কতটা শিথিল হয় এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির কতটা উন্নতি ঘটে, তার ওপরই ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে।

বিমান চলাচলে এ ধরনের বিঘ্নের মধ্যে যাত্রীদের যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা, পরিবর্তিত সময়সূচি এবং বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়