নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:০৭, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্গাপূজায় একদিন ছুটিতেই ৫ দিনের অবকাশ

দুর্গাপূজায় একদিন ছুটিতেই ৫ দিনের অবকাশ

ফাইল ছবি

আসছে শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটি উপভোগ করার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। পঞ্জিকা ও সরকারি ছুটির হিসাব মিলিয়ে সামান্য কৌশল অবলম্বন করলেই এই দীর্ঘ অবকাশ কাটানো সম্ভব।

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে দুই দিনের আনুষ্ঠানিক ছুটি রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

মাঝের ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অফিস-আদালত খোলা থাকার কথা। তবে কোনো সরকারি চাকরিজীবী যদি নিজ দায়িত্বে বা নৈমিত্তিক ছুটি (সিএল) নিয়ে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস থেকে ছুটি নেন, তবে তিনি সহজেই টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেয়ে যাবেন। কারণ এর ঠিক পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ফলে মঙ্গল থেকে শনিবার পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচ দিনের বিরতি মিলবে।

সাধারণ সরকারি ছুটির বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পূজার শুরুতে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর (রবিবার) মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর (সোমবার) মহাষ্টমী উপলক্ষে তারা চাইলে এই ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। তবে এর জন্য প্রচলিত বিধিমালা মেনে আগে থেকেই ছুটির আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন: ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটির তারিখ বদল, নতুন সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

সরকারি ছুটির এই হিসাব সরাসরি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার দুর্গাপূজার ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘোষিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার বা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির দিনগুলোতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

অন্যদিকে, সরকারি ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নির্দেশনায় জরুরি লেনদেনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শাখা খোলা রাখা হতে পারে। পাশাপাশি এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন এবং অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো ছুটির দিনগুলোতেও যথারীতি সচল থাকবে।

সরকারি ও সাধারণ ছুটি থাকাসত্ত্বেও দেশের জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এই অবকাশ প্রযোজ্য হয় না। হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্র, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ এবং গণমাধ্যমের মতো জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় খাতের কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক রুটিন ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ছুটির দিনেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই সার্বিক ছুটির সুযোগটি মূলত চাকিরর ধরন, দাপ্তরিক বিধিমালা এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নীতির ওপর নির্ভর করছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়