নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:৩৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেট: ১৮:৪০, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউপি নির্বাচন বিধিমালা ২০২৬: জামানত ২৫ হাজার ও ব্যয়সীমা ১০ লাখ টাকা

ইউপি নির্বাচন বিধিমালা ২০২৬: জামানত ২৫ হাজার ও ব্যয়সীমা ১০ লাখ টাকা

ফাইল ছবি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে শুরু করে নির্বাচনী ব্যয়, হলফনামা, আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটকেন্দ্রের ফল স্থগিত, সমান ভোটে পুনর্নির্বাচন এবং প্রতিবন্ধী ভোটারের সহায়তা প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নতুন বিধান যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

সংশোধিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী ব্যয়সীমা দ্বিগুণ করে ১০ লাখ টাকা এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

নতুন নিয়মে নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের অন্তত ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। আগে এ সীমা ছিল ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। সংশোধিত বিধিমালার গেজেট ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে; ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এতে ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষর করেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য পদে ৫ হাজার টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার অথবা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জমা দিতে হবে। একই প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানত দিতে হবে না। 

কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের অন্তত ১৫ শতাংশ পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য হবেন। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হবে। আবার জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য প্রার্থী সরকারি গেজেটে নির্বাচনের ফল প্রকাশের ছয় মাসের মধ্যে ওই অর্থ গ্রহণ না করলে সেটিও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

জামানত ও ব্যয়সীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আর্থিক ও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রেও নতুন কাঠামো যুক্ত হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর হলফনামা দাখিলের বিধান রাখা হয়েছে। এর পেছনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের তথ্যসংবলিত হলফনামা দাখিলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর আগে জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় বিভিন্ন তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ বিষয়ে আইন ও বিধিমালার মধ্যে একটি ফাঁক ছিল বলে হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেওয়া ওই রায়ে বৃহত্তর জনস্বার্থে আইন ও বিধিমালার অসামঞ্জস্য দূর করে প্রার্থীর প্রাসঙ্গিক তথ্যসংবলিত হলফনামা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

নতুন বিধানের ফলে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নিজের এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য, আয়-সম্পর্কিত তথ্য এবং আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর আর্থিক অবস্থা, আয়-উৎস ও সম্পদের বিষয়ে ভোটারদের সামনে তুলনামূলকভাবে বেশি তথ্য থাকার কথা। তবে সদস্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতো একই ধরনের হলফনামার বিধান রাখা হয়নি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর তথ্য প্রকাশের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনার পটভূমিতে ইসি এর আগে জানিয়েছিল, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হলফনামার বিধান যুক্ত করার কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

নির্বাচনী ব্যয়ের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের বিধানে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ৫ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ১ লাখ টাকা। চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকে পৃথক হিসাব খুলতে হবে এবং নির্বাচনী ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাবের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। কোনো খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। নির্বাচনের আগে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের নতুন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধির বিধান প্রযোজ্য হবে এবং ওই বিধিমালার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত

ইউপি নির্বাচনের প্রচারণার ক্ষেত্রেও এরই মধ্যে আলাদা আচরণবিধি কার্যকর করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ জারি হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০২৬-এ ২০১৬ সালের আচরণবিধি রহিত করা হয়েছে। নতুন বিধিমালায় নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট শর্তে ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট ও সীমিত আকারে বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্রচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর কনটেন্ট, ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং প্রচারণায় বিভিন্ন ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার নিয়েও নতুন বিধান যুক্ত হয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনো উৎস থেকে পাওয়া রেকর্ড, তথ্য বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টের বিরুদ্ধে বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গেলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে লিখিত আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। 

এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে এবং সরকারি গেজেটে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। এর ফলে আচরণবিধি প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সরাসরি প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও কার্যকর হবে।

ভোটকেন্দ্রের ফলাফল নিয়েও কমিশনের ক্ষমতা স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রের ভোটের ফল বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অনিয়মের কারণে গুরুতরভাবে প্রভাবিত বা পক্ষপাতদুষ্ট হলে কমিশন ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে। পরে অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবে। অর্থাৎ কোনো কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে ফলাফল চূড়ান্তভাবে বহাল রাখার পরিবর্তে কমিশনের সামনে তা স্থগিত বা বাতিল করে পুনর্ভোটের ব্যবস্থা করার সুযোগ থাকবে।

দুই বা ততোধিক প্রার্থী সমান সর্বোচ্চ ভোট পেলে আগের মতো লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে না। সংশোধিত বিধিমালায় এ ক্ষেত্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের বিধান করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সমান ভোট পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে পুনঃভোটের আয়োজন করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেবে নির্বাচন কমিশন। ফলে ভোটের ফল নির্ধারণে ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল লটারির পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের পুনরায় ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী ও সহায়তা প্রয়োজন এমন ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেও বিধান রাখা হয়েছে। দৃষ্টি বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কিংবা অন্য কোনো কারণে ভোটদানে সহায়তা প্রয়োজন হলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে একজন সহায়তাকারীকে সঙ্গে নেওয়া যাবে। সহায়তাকারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। ভোটার নিজে ব্যালট পেপারে চিহ্ন দিতে না পারলে তার নির্দেশনা অনুযায়ী সহায়তাকারী চিহ্ন দিতে পারবেন। তবে সহায়তাকারী কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হতে পারবেন না। ভোটারের পছন্দের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি তাকে জানাতে হবে এবং এ ধরনের ভোটারের তালিকা সংরক্ষণ করবেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা।

নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা, কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা ঠেকাতেও কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনরত কোনো ব্যক্তি, অনুমোদিত সাংবাদিক বা পর্যবেক্ষককে হুমকি দেওয়া, ভয়ভীতি দেখানো, আঘাত করা বা বলপ্রয়োগ করে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া কিংবা তাদের ব্যবহৃত সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত করা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একইভাবে ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা কিংবা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করাও অপরাধ। এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

নির্বাচনী অপরাধ ও আচরণবিধি লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণের জন্য তফসিল ঘোষণার পর প্রয়োজনীয়সংখ্যক মনিটরিং কমিটি গঠনের ক্ষমতাও কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোনো প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা পোলিং এজেন্ট নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না থাকলেও তাদের অনুপস্থিতির কারণে আইনানুগভাবে সম্পন্ন কোনো কার্যক্রম অবৈধ হবে না। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে এবং কেউ অনুপস্থিত থাকলে তার কারণ লিখিতভাবে কমিশনকে জানাতে হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চেয়ারম্যান পদের জন্য ২০টি, সাধারণ সদস্য পদের জন্য ১২টি এবং সংরক্ষিত সদস্য পদের জন্য ১০টি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কয়েক ধাপে এবং উপজেলাভিত্তিকভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে; একটি উপজেলার অধীন ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন একই সময়ে করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের সংশোধিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালায় প্রার্থীর আর্থিক দায়বদ্ধতা ও তথ্য প্রকাশ, নির্বাচনী ব্যয়ের স্বচ্ছতা, আচরণবিধি প্রয়োগ, ভোটকেন্দ্রের অনিয়ম মোকাবিলা, সমান ভোটে পুনর্নির্বাচন এবং প্রতিবন্ধী ভোটারের সহায়তার মতো একাধিক বিষয়ে আগের কাঠামোর পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর সঙ্গে নতুন আচরণবিধিতে প্রচারের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে বিশেষ করে পোস্টার নিষিদ্ধ করা, ডিজিটাল প্রচার ও এআই-নির্ভর কনটেন্টের ওপর নজরদারি এবং ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে আসন্ন ইউপি নির্বাচনের প্রচার ও পরিচালনাপদ্ধতিতেও নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়