News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:৫৭, ৫ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়লো আরও একদিন

ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়লো আরও একদিন

ফাইল ছবি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারি ছুটির পরিধি আরও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পূর্বনির্ধারিত ছুটির তালিকায় নতুন করে আগামী ১৮ মার্চকেও নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে শবে কদর ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে এবার টানা সাত দিনের দীর্ঘ অবকাশ পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন পায়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে ছুটির এই নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। 

তিনি জানান, সাধারণ মানুষের ঈদ যাত্রা যেন যানজটমুক্ত ও স্বস্তিদায়ক হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আগের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি বরাদ্দ ছিল। 

তবে নতুন সিদ্ধান্ত এবং ক্যালেন্ডারের হিসেবে ছুটির বিন্যাস দাঁড়িয়েছে নিম্নরূপ:

আরও পড়ুন: জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত যানবাহন কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান

  • ১৭ মার্চ: পবিত্র শবে কদরের নির্ধারিত ছুটি,
  • ১৮ মার্চ: মন্ত্রিসভার অনুমোদিত নতুন নির্বাহী ছুটি,
  • ১৯ ও ২০ মার্চ: ঈদের আগে পূর্বঘোষিত নির্বাহী আদেশের ছুটি,
  • ২১ মার্চ: পবিত্র ঈদুল ফিতরের মূল সাধারণ ছুটি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে),
  • ২২ ও ২৩ মার্চ: ঈদের পরবর্তী দুই দিনের নির্বাহী ছুটি।

সব মিলিয়ে ১৭ মার্চ থেকে শুরু করে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন দেশ কার্যত ছুটির আমেজে থাকবে।

সাধারণত প্রতি বছর ঈদের সময় পরিবহন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এবার ১৮ মার্চ বাড়তি ছুটি যুক্ত হওয়ায় মানুষ ধাপে ধাপে ঢাকা ছাড়ার সুযোগ পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য ২১ মার্চকে ঈদের দিন ধরে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদের তারিখ পরিবর্তিত হলেও এই সাত দিনের সামগ্রিক ছুটির কাঠামোতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।

সচিবালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই দীর্ঘ ছুটির ফলে যেমন পর্যটন খাতে গতি আসবে, তেমনি কর্মজীবী মানুষ পরিবারের সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। তবে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে দ্রুতই বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়