আন্তর্জাতিক ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:১৪, ৩০ আগস্ট ২০২৬
আপডেট: ১৯:৩৭, ৩০ আগস্ট ২০২৬

মক্কা চুক্তির বৈঠকে মিলিতে হচ্ছে তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান

মক্কা চুক্তির বৈঠকে মিলিতে হচ্ছে তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে প্রথম কমিটি বৈঠকের জন্য সোমবার ইস্তাম্বুলে জড়ো হচ্ছেন তুরস্ক সৌদি আরব ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সংবাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র। 

৭ অগাস্ট স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এই তিন সুন্নি মুসলিম দেশকে একত্রিত করেছে।

এই জোটের লক্ষ্য হল যে কোনো আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা। এই চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ হয়েছে যে, এই তিন দেশের যে কোনো একটিরও ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এটা অনেকটা নেটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ধারার অনুরূপ।

মন্ত্রণালয়টির ওই সূত্র জানিয়েছেন, এ তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর পাশাপাশি তাদের চিফস অব স্টাফরাও ইস্তাম্বুলের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, “বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোও থাকবে।”

আরও পড়ুন: ইরানে ৮ মাসে ২০ আফগানের ফাঁসি

আলোচনায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যে একত্রে কাজ করার সক্ষমতা বাড়ানো এবং যৌথ উৎপাদন ও উন্নয়নসহ প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রয়টার্স লিখেছে, এই তিনটি দেশই ইহুদি ইসরায়েল ও শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরানের সামরিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগের অংশীদার। এই তিন দেশের দীর্ঘদিনের মিত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করা পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর ছয় মাস পার হয়ে গেছে, কিন্তু আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত অবসানের কোনো লক্ষণ নেই। শান্তি আলোচনার মাধ্যমে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে পর্যদুস্ত করার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে যাকে তারা অর্থনৈতিক ডি-ডে হিসেবে অভিহিত করেছে।

পশ্চিমা নেটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির অধিকারী দেশ তুরস্ক জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে করা তাদের এই চুক্তিটি সম্প্রসারণযোগ্য। পরবর্তীতে মিশরের এই জোটে যোগদানের সম্ভাবনা আছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়