নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:১১, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নভেম্বরের মাঝামাঝি এইচএসসি ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

নভেম্বরের মাঝামাঝি এইচএসসি ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

ফাইল ছবি

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশের জন্য জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সম্ভাব্য সময় হিসেবে নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ফলাফল প্রকাশ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করতে বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুতগতিতে চলছে।

বরাবরের মতো এবারও পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের ঐতিহ্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হওয়া নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ৯ সেপ্টেম্বর। তবে ফল প্রকাশে কোনো ধরনের বিলম্ব বা জটিলতা এড়াতে অতিরিক্ত পরীক্ষক ও মূল্যায়নকারী নিয়োগ দিয়েছে বোর্ড, যার ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমগ্র দেশের ফল একসাথে প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকে যোগদান করছে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষক

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। সারা দেশে মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে অংশ নেয়। অন্যান্য সাধারণ বোর্ডের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এ ছাড়া ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশালে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর বাইরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হয় গত ৮ আগস্ট এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কিছু পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ায় সামগ্রিক কার্যক্রমে সামান্য সময় বেশি লাগলেও শিক্ষা বোর্ডের ত্বরান্বিত পদক্ষেপে সেই সময় পুষিয়ে নেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড কমিটির পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়